রবিবার দীঘায় সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু হয়েছে টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার এই অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা বাংলা শোবিজ অঙ্গন। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার দুপুরে এই অভিনেতার মরদেহ পৌঁছে কলকাতার বাড়িতে। সেখান থেকে বিকেলে নিয়ে যাওয়া হয় কেওড়াতলা মহাশ্মশানে!
এদিকে অভিনেতার মরদেহ কলকাতায় নিয়ে আসতেই দুপুর থেকেই জনস্রোত নামে কলকাতায়। অভিনেতার বাড়ি থেকে কেওড়াতলা পর্যন্ত ভিড় বাড়ে মানুষের।
রাহুলের পরিবারের অনুরোধ মেনে গোটা বিষয়টাই ব্যক্তিগত পরিসরে সারার কথা থাকলেও কেওড়াতলায় রীতিমত মানুষের ঢল। ছেলে সহজকে নিয়ে শ্মশানে পৌঁছেন রাহুলের স্ত্রী অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিন শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন সব্যসাচী চক্রবর্তী, মিঠুন চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ, রূপম ইসলাম, পরমব্রত, আবির চ্যাটার্জী, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা ও চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে কলকাতার সিনেমা ও টেলিভিশনের সব জনপ্রিয় মুখ।
রাহুলের মরদেহ বহন করা গাড়ি কেওড়াতলার পথে নিয়ে যেতে পথে যোগ দেন বামপন্থী সমর্থকরা। রাহুল রাজনৈতিকভাবে বাম দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। শত শত বামকর্মীদের কণ্ঠে এদিন শোনা যায় ‘জাগো জাগো সর্বহারা’ গানটি। পদযাত্রার নেতৃত্বে ছিলেন তরুণ বামনেত্রী দীপ্সিতা ধর।
তবে রাহুলের মরদেহ কেওড়াতলা মহাশ্মশানে পৌঁছা মাত্রই হট্টগোল লেগে যায়। অভিনেতার বন্ধুদের অভিযোগ, বেছে বেছে সেলিব্রিটিদেরই শ্মশানের ভিতরে যেতে দেওয়া হচ্ছে। তাদের গেটে আটকে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা।
তবে পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। অনুরোধ জানানো হয়, যে ঠিকভাবে সম্পন্ন করা যায় অভিনেতা রাহুলের অন্তেষ্টিক্রিয়া।








