চেলসির ম্যানেজার হিসেবে ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড দ্বিতীয়বার ক্লাবের দায়িত্ব নেয়ার পর দেখেন সাফল্য তার থেকে মাইল দূর দিয়ে চলছে। তিনি দেখেন স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের তার সফল হওয়া হাতের বাইরে। কারণ ছিল ক্লাবে বেশকিছু ঝামেলা চলছিল, যা তাকে বাজে কোচদের কাতারে নিয়ে যায়।
২০২৩ সালের এপ্রিলে গ্রাহাম পটারের পরিবর্তে অন্তর্বর্তীকালীন বদলি কোচ হিসেবে ল্যাম্পার্ডকে দ্বিতীয়াবার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। এরপর যা ঘটে তা হল, প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ কোচিং পরিসংখ্যানের মধ্যে নাম ওঠে ৪৬ বর্ষী তারকার। সেবারের একমাসের কোচিংয়ে ১১ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জিতেছিলেন। ১৯৯৬ সালের পর চেলসি প্রথমবার লিগের তলানির দিকে পৌঁছেছিল।
থ্রি লায়ন্সদের সাবেক তারকা ল্যাম্পার্ড অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে বলেছেন, ‘এই অল্পসময়ে কাজ করতে আমার ভালো লাগেনি। কারণ ক্লাব আপনাকে কখন বলবে চলে যান তার ধারণা পাওয়া কঠিন। কিন্তু চেলসি আমার জীবনে সবসময়ই বড় একটি ক্লাব থেকে থাকবে।’
‘তখন চেলসির মান বুঝতে পেরেছিলাম, সেসময়ে অনেক খেলোয়াড় হয়তো চলে যাওয়ার দিকে ছিল। কিছু সমস্যা এবং অনুপ্রেরণা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল, সেসময়টা আসলে একে প্রভাবিত করতে পারবে না। ফলাফল দেখে বুঝতে পারছিলাম কোনটা সঠিক আর কোনটা ভুল।’
২০১৯-এর জুলাই থেকে ২০২১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। তখনও রাশিয়ান নাগরিক রোমান আব্রামোভিচ সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। সেসময়ে আরও বেশি সাফল্য ছিল এবং ক্লাবকে প্রিমিয়ার লিগে চারে নিয়ে যান।এফএ কাপ ফাইনালে পৌঁছান। ২০২২ সালে আমেরিকান টড বোহেলি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে ক্লাবটি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছিল না।







