কৃষকের কান্না আমাদের কান্না না হলেও, কৃষকের হাসিই আমাদের হাসি। কৃষকের হাসি কান্না নিয়ে প্রতি ঈদে ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ অনুষ্ঠানে গল্প গাঁথেন শাইখ সিরাজ। এবারও হচ্ছে না তার ব্যতিক্রম।
ঈদুল ফিতরের পরদিন বিকেল সাড়ে ৪টা মানেই চ্যানেল আইয়ের পর্দায় ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’। শাইখ সিরাজের পরিকল্পনা,পরিচালনা ও উপস্থাপনায় জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানটির এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে টেকানগর গ্রামে লঙ্গন নদীর তীরে।
গ্রামীণ আবহে কৃষকদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এবারের ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ আরো জমজমাট, ব্যতিক্রমী ও মজার সব খেলাধূলায়। আর দেশ-বিদেশের বৈচিত্রপূর্ণ সব গল্পের বুননতো রয়েছেই।
এবারে খেলাধুলার অংশটি ধারণের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বেছে নেয়ার কারণ হিসাবে উন্নয়ন সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অর্থনীতির মূল ভিত্তিই কৃষি। প্রাচীনকাল থেকেই এ অঞ্চল ধান, পাট, সরিষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক মাছের ভান্ডার। প্রতি বছর ঈদ আনন্দের একটি নির্দিষ্ট থিম থাকে। এবার কৃষি ঐতিহ্যের ব্যতিক্রমী অঞ্চল হাওড়কে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে কৃষকের ঈদ আনন্দের মূলগাঁথা। নদীমাতৃক বাংলার নদীকে ঘিরে যে জীবন-যাপন তা তুলে ধরতে চেয়েছি। সব দিক থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরকে এবার এই আয়োজনের জন্য উপযোগী মনে হয়েছে।’
‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ দর্শক দেখতে পারবেন রবিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টায়, চ্যানেল আইতে।







