বেলা গড়িয়েছে অনেক, বয়সটাও হয়ে গেছে ৩৭। জাতীয় দলে খেলার আশাটা কখনোই ছাড়েননি দীনেশ কার্তিক। সুযোগ পেয়ে ব্যাট হাতে দেখানো শুরু করেছেন বুড়ো হাড়ের ভেল্কি। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে দেখাচ্ছেন ঝলক।
গত জুনে ঘরের মাঠে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে রাজকোটে কার্তিক ৩৪ মিনিট ক্রিজে থেকে ২৭ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৫৫ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেছিলেন। সেই ইনিংসে ভর করে ২-০তে পিছিয়ে পড়েও সিরিজে সমতায় ফিরেছিল ভারত।
কার্তিকের ওই ইনিংসটি দেখার পর সাউথ আফ্রিকার সাবেক পেসার ডেল স্টেইন বলেই দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে তাকে নিতে হবে, ‘কার্তিকের আসলেই গুণ আছে। ভারতের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে তার নামটা প্রথম সারিতেই থাকবে।’
অথচ ভারতের সাবেক ক্রিকেটার অজয় জাদেজা বলছেন, আধুনিক ক্রিকেটে কার্তিককে বাদই দেয়া উচিৎ! উল্টো খানিকটা অপমান করে বলেছেন, ধারাভাষ্য দিলেই নাকি কার্তিক বেশি ভালো করবেন।
‘যেভাবে শুনেছি সেভাবে যদি খেলাতে চান, তাহলে আপনাকে ভিন্ন পথে আক্রমণাত্মক হতে হবে। যদি বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা দলে আসে, যেকোনো মূল্যে আপনার দীনেশ কার্তিককে লাগবে। সে আপনার ইনস্যুরেন্স। তারা না থাকলে দীনেশ কার্তিকের কোনো কাজ নেই। তবে হ্যাঁ, সে আমার পাশে বসতে পারে। সে ধারাভাষ্যকার হিসেবে খুবই ভালো।’
‘দলে আমি কার্তিককে রাখছি না। যদি ধোনির স্টাইল অনুসরণ করতে হয়, তাহলে কোহলি-রোহিত এবং কার্তিককে যোগ করুন। কিন্তু আধুনিক ক্রিকেটে কার্তিককে বাদ দিতে হবে। এমনকি কোহলি ফর্মে আছেন কিনা সেটির উপর তার দলে থাকা নির্ভর করে।’
প্রায় ১৬ বছরে ভারতের জার্সিতে কার্তিক ৩৬টির বেশি টি-টুয়েন্টিতে খেলার সুযোগ পাননি। মহেন্দ্র সিং ধোনির স্বর্ণযুগে এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের দলে নিয়মিত জায়গা পাওয়ার উপায় ছিলও না। এখন যদিও ব্যাট হাতে আছেন ফর্মে। বিশ্বকাপ দলে তার থাকাটাও প্রায় নিশ্চিত।








