নারী কাবাডি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর আয়োজন করছে বাংলাদেশ। ১১ দলের অংশগ্রহণে ১৭ নভেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে আয়োজন। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ট্রফি উন্মোচন করেছেন।
রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অংশগ্রহণকারী সকল দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ট্রফি উন্মোচন করেন ড. ইউনূস। উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, ইন্টারন্যাশনাল কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি বিনোদ কুমার তিওয়ারি, বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি বাহারুল আলম বিপিএম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ।
ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আসর গড়িয়ে ২৪ নভেম্বর ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশ লড়বে ভারত, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জার্মানির বিপক্ষে। ৬ দেশ নিয়ে সাজানো ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ইরান, নেপাল, চাইনিজ তাইপে, পোল্যান্ড, কেনিয়া এবং জাঞ্জিবার।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস ঢাকায় বিশ্বকাপ আয়োজনের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অনুপ্রেরণামূলক এবং বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে স্বাগত জানান এবং চ্যাম্পিয়নশিপ সফল করার জন্য কাজ করা আয়োজক, ক্রীড়াবিদ এবং অংশীদারদের প্রশংসা করেন।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘সরকার সক্রিয়ভাবে মহিলা ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করছে এবং প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ করছে। বাংলাদেশের নারীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে তাদের প্রতিভা প্রমাণ করছে এবং সরকার তাদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নারী ক্রীড়াবিদদের সাফল্য জাতীয় গর্বের বিষয় এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।’








