জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিমের বাড়িতে গিয়েছিলেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী। পৃথক অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, জুলাই যুদ্ধারা গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, সরকার তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি দিচ্ছে।
শনিবার (৩১ মে) বিকেলে কক্সবাজারের পেকুয়ায় বৈষম্য বিরোধীছাত্র জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণকালে এসব কথা বলেন।
মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী বলেন, জুলাই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জুলাইয়ের বীরত্বের গল্প এবং শোকগাথা সংরক্ষণ। যাতে ৫০ বছর পরও পরবর্তী প্রজন্ম জানতে পারে কি হয়েছিল, তারা যেন বুঝতে পারে কি করা যাবে, কি করা যাবে না। এতে আর কোনোদিন এরকম খুনির আবির্ভাব হবে না।
এসময় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদ ভবন মিলনায়তনে আহত যোদ্ধাদের হাতে এক লাখ টাকা করে চেক তুলে দেন। পাঁচজন যোদ্ধাকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিমের বাড়িতে যান উপদেষ্টা। এসময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপদেষ্টাকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শহীদ ওয়াসিমের মা ও বাবা।
শহীদ ওয়াসিমের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি বেঁচে থাকতে যেন আমার ছেলে হত্যার ন্যায়বিচার দেখে যেতে পারি। খুনিদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিজুর রহমান, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. সালাহউদ্দিন, পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মইনুল হোসেন চৌধুরী, পেকুয়া সহকারী কমিশনার ভূমি নুর পেয়ারা বেগম প্রমুখ।







