২২ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে গেছে বাংলাদেশ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অধীনে দুই ম্যাচের সিরিজ ঘিরে বেশ ভালো প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদলই। মাঠের লড়াই শুরুর আগে স্বাগতিকদের সাবেক পেসার কেন রিচার্ডসনের সঙ্গে বাংলাদেশ বিষয়ে আলোচনা করেছেন অজি স্কোয়াডে থাকা পেসার জশ হ্যাজেলউড। সেখানে সাবেক বোলারের মতে ডারউইনের পিচ টাইগারদের জন্য ‘অনুকূল’ হতে পারে, হ্যাজেলউডের মনে হচ্ছে এই পিচ তাদের বেশ ‘অজানা’ হবে।
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনের ডিএক্সসি অ্যারেনায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। গত ৩১ জুলাই দেশ ছাড়ে বাংলাদেশ সিরিজ শুরুর আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে বাজে ব্যাটিংয়ে ইনিংস এবং ৩৮ রানের ব্যবধানে হেরেছে।
পডকাস্ট আলোচনায় হ্যাজেলউড বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জিং, তবে খুবই সতেজ একটা ব্যাপার আছে। শুরুতেই বলতে হবে অনেক অজানা বিষয় রয়েছে। মাঠ তো এক অজানা। বিশেষ করে উইকেট, এবং এই পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষও। অনেককিছুই জানা নেই। কিন্তু আমার মনে হয় এটা বেশ রোমাঞ্চকর সিরিজ হবে। অবশ্যই আমাদের কাছে তাদের ফুটেজ আছে এবং আমরা তাদের ব্যাটারদের বিরুদ্ধে কিছু করার বিষয় খুঁজে পাবো। কিন্তু মাঠে সবকিছু বুঝে পরিকল্পনা তৈরি করার ব্যাপার থাকতে হবে।’
পেশাদার ক্রিকেটে ৪০০-এর বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকায়, বিশ্বের সেরা ব্যাটারদের অনেকের শক্তি-দুর্বলতা সম্পর্কে হ্যাজেলউডের ভালো জানাশোনা রয়েছে। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি তার প্রথম টেস্ট, টাইগারদের সম্পর্কে তার এই ফরম্যাটে জানাশোনা তাই খুব কমই। হ্যাজেলউড দুদলের মধ্যকার সবশেষ ২০১৭ সালের টেস্টে ছিলেন না। চলতি বছর বাংলাদেশ সফরেও ছিলেন না। ৩৪ বর্ষী তারকা বর্ণাঢ্য ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে টাইগারদের মুখোমুখি হয়েছেন মাত্র ৯ বার, যার শেষ ৩ ম্যাচ ছিল বিভিন্ন বিশ্বকাপে।
সহ-উপস্থাপক এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার রিচার্ডসন ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় ডারউইনে কাটিয়েছেন। অজি বোলারদের পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করেছেন। তার মতে, ডারউইনের তীব্র শুষ্ক গরমের কারণে মারারা স্টেডিয়ামের পিচের ড্রপ কিছুটা ধীরগতির হবে। যা বাংলাদেশের জন্য অনুকূল হতে পারে।
রিচার্ডসন বলেছেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ে আর কী আশা করবো, আসলে সে ব্যাপারে নিশ্চিত নই। এটা পার্থ স্টেডিয়ামের প্রথম দিন বা গ্যারার মতো হবে না। আমার মনে হয় না এটা অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ক্রিকেটের সেই চেনা পরিচিত পিচের মতো হবে। এখানে পেসাররা মুভমেন্ট, সুইং এবং বাউন্সের দিক থেকে দারুণ কার্যকর। কম বাউন্সের দিক থেকে এটা বাংলাদেশের কাছে বেশি অনুকূল হতে পারে।’








