চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জনির জয়ে ভক্তদের বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস

ছয় সপ্তাহ লড়াইয়ের পর শেষমেশ জিতলেন ‘পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান’ এর অভিনেতাই! অ্যাম্বার হার্ডের বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলায় জিতে গেলেন জনি ডেপ। জনির জয়ে সামাজিক মাধ্যমগুলো ভাসছে ভক্তদের উচ্ছ্বাসে!

এই রায়ে ডেপ সম্মান ফিরে পেয়েছেন বলে দাবি ভক্তদের। মামলা জিতে প্রতিক্রিয়ায় জনি ডেপ বলেছেন ‘জুরি আমার জীবন ফিরিয়ে দিল’। একই মন্তব্য নেটিজেনদেরও।

Reneta June

মামলার শুরু থেকেই জনি ডেপের ভক্তরা অভিনেতার সমর্থনেই ছিলেন। দীর্ঘ লড়াইয়ের ফল পেয়ে তাদের বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ভাসছে ভক্তদের উচ্ছ্বাস ও শুভকামনায়।

বিজ্ঞাপন

টুইটারে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘অ্যাম্বার বলেছিলেন কেউ বিশ্বাস করবে না জনির কথা। জনি প্রমাণ করলেন, পুরো বিশ্ব জনির সাথে আছে।’

আরেক নেটিজেন লিখেছেন, ‘৬ বছরের যাত্রায় জিতেছেন আপনি। তিনি বিশ্বকে তার গল্প বলেছেন, বিশ্ব তাকে বিশ্বাস করেছে। আপনাকে নিয়ে গর্বিত জনি।’

আরেকজন অ্যাম্বারের একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘এই প্রথম অ্যাম্বারের গোমরা মুখ দেখে অভিনয় মনে হচ্ছে না।’

জনির আরেক ভক্ত লিখেছেন, ‘দুই বছর আগে আমি অ্যাম্বারকে বিশ্বাস করতাম। কিন্তু যতই দিন গেছে, ট্রায়ালের ভিডিওগুলো দেখেছি, বুঝতে পেরেছি যে অ্যাম্বার মিথ্যা বলছেন।’

জনির জয়ে ভক্তদের আশা, আবারও ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’-এ ফিরবেন অভিনেতা। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘এখন অপেক্ষা ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’-এর ঘোষণার।’

বুধবার সাবেক স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ডের বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলায় রা পেলেন হলিউড অভিনেতা জনি ডেপ। অভিনেতার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অ্যাম্বারকে দেড় কোটি ডলার জরিমানা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

২০১৮ সালে জনির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনেছিলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী অ্যাম্বার। এর পরেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন জনি।

আদালতের বিচারকরা জানিয়েছেন, অ্যাম্বার যে অভিযোগ জনির বিরুদ্ধে এনেছিলেন তা মিথ্যা এবং অবমাননাকর। পাশাপাশি জনির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলার পেছনে অ্যাম্বারের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল বলেও আদালত জানিয়েছে। তিন দিন ধরে সাত সদস্যের জুরি প্রায় ১৩ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত জানালেন।

২০১৫ সালে ঘর বেঁধেছিলেন জনি-অ্যাম্বার। বিয়ের মাত্র দুই বছরের মাথায় ২০১৭ সালে জনি ডেপের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় অ্যাম্বার হার্ডের। ২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টে জনি ডেপের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগ তোলেন অ্যাম্বার। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অ্যাম্বারের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানি মামলা করেন ডেপ। এরপর ১০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে পাল্টা মামলা করেন অ্যাম্বার।