সংস্কারের পর জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। প্রধান উপদেষ্টার সাথে বৈঠকে জামায়াতের আমির বলেছেন, নির্বাচনের আগে অবশ্যই সংস্কার এবং দৃশ্যমান বিচারের প্রক্রিয়া থাকতে হবে। কারণ, সংস্কারের আগে নির্বাচন হলে জনগণ তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে না।
শনিবার (২৪ মে) রাত সাড়ে ৯টায় প্রধান উপদেষ্টার সাথে বৈঠক শেষে প্রেস বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সব সংস্কারও এই সরকারের পক্ষে করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।
জামায়াতের আমির বলেন, মাত্র ৫টা বিষয়ে সরকার সংস্কারে হাত দিয়েছেন। সুতরাং এতটুকু নিষ্পত্তি হওয়া উচিত সন্তোষজনকভাবে। এছাড়া জুলাই প্রক্লেমেশনও এই সংস্কারের সাথে জড়িত।
“আবার সব সংস্কার এই সরকারের পক্ষে করা সম্ভবও নয়” বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশ ভালো থাকলে আমরা সবাই ভালো থাকবো উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, হঠাৎ পাল্টে যাওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন মুহাম্মদ ইউনূস।
“আমরা বলেছি, দুইটা বিষয় স্পষ্ট হওয়া দরকার। নির্বাচনটা কখন হবে? আপনি যে সময়সীমা দিয়েছেন, এর ভেতরে জনগণের কোনো বড় ধরনের ভোগান্তি না হয়ে একটা কমফোর্টেবল টাইমে নির্বাচন হওয়া উচিত। আর দুই নম্বর হলো, নির্বাচনের আগে সংস্কার ও দৃশ্যমান বিচারের কিছু প্রক্রিয়া জনগণের সামনে আসতে হবে। সংস্কার শেষ না করে যদি নির্বাচন হয়, জনগণ এই নির্বাচনে তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে না।”
জামায়াতের আমির বলেন, সমাজের অস্থিরতা আপতদৃষ্টিতে তার সমাধান হয়েছে। আর ২টি রোডম্যাপ প্রকাশ করলে এটি স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে।
বিএনপি যে তিনজন উপদেষ্টার পদত্যাগ চেয়েছে, সে বিষয়ে জামায়াতের অবস্থান জানতে চান সাংবাদিকরা।
উত্তরে তিনি বলেন, “পদত্যাগ চাইলো বিএনপি, আর ফতোয়া দেবে জামায়াতে ইসলামী। এটা কি মানায়? যারা পদত্যাগ চেয়েছে, তারাই ব্যাখ্যা করবে। আমরা কারও কোনো পদত্যাগ চাইনি।”
রাত সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সংগঠনের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।







