ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ ২০০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বন্দীরা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি কারাগারে বন্দী ছিলেন। তাদের মুক্তির বিষয়টি দুটি দেশের মধ্যে এক প্রকারের আস্থা তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে চার ইসরায়েলি নারী সেনাকে মুক্তি দেয় হামাস।
আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় দ্বিতীয় দফায় ৪ ইসরায়েলি সেনাকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) এক বিবৃতিতে জানায়, মুক্তি পাওয়া চার সেনা বর্তমানে ইসরায়েলে ফিরছেন। তারা আইডিএফের বিশেষ বাহিনীর সঙ্গে ফিরে আসছে এবং প্রথমে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হবে।
মুক্তিপ্রাপ্ত সেনাদের নাম হল: লিরি আলবাগ (১৯), কারিনা আরিয়েভ (২০), ডেনিয়েলে গিলবোয়া (২০), এবং নামা লেভি (২০)। এদের মধ্যে তিনজন প্রথমবারের মতো মুক্তি পেয়েছেন, আর একজন পূর্বে মুক্তি পাওয়ার পর দ্বিতীয়বার মুক্তি পেয়েছেন।
এই চার সেনার মুক্তি যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি অংশ এবং এটি ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে চলমান বন্দী বিনিময়ের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঘটছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, হামাস আরো ২৬ ইসরায়েলি বন্দীকে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, এবং বিপরীতে ইসরায়েল তাদের হাতে আটক কয়েকশ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির এই চুক্তির আওতায়, ইসরায়েলি দুই কারাগার থেকে আরও কিছু ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তি পাবে। চুক্তি অনুযায়ী, গাজার নেটজারিম করিডোর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সরে গেলে, গাজার উত্তরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা তাদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে পারবে।







