জাতিসংঘের তথ্য মতে ফিলিস্তিনের হামাস গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইসরায়েল বোমা হামলা শুরু করার পর থেকে উত্তর গাজার ১০ লাখের বেশি মানুষ তাদের বাড়ি-ঘর থেকে বিতাড়িত হয়েছে। বর্তমানে তারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী স্থল হামলার প্রস্তুতি হিসেবে গাজার কেন্দ্র এলাকা গুলোকে চিহ্নিত করেছে। ইসরায়েল বলেছে, তারা হামাসের উপর পাল্টা আঘাত করছে এবং গত ৬ অক্টোবরের হামলার প্রতিশোধ হিসাবে ফিনিস্তিনের কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলকে সতর্ক করেছেন,গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদী দখলদারিত্ব হবে বড় ভুল। ইসরায়েলে একটি সফরের বিষয়েও আলোচনা করেছেন জো বাইডেনের।
রোববার (১৫ অক্টোবর) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের বর্ধিত জরুরি মন্ত্রিসভা আহ্বান করেছেন, যার মধ্যে সাবেক বিরোধী আইনপ্রণেতারাও রয়েছেন। তিনি বলেন, “হামাস ভেবেছিল আমাদের ধ্বংস করা হবে। আমরাই হামাসকে ধ্বংস করব।”
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলেছে, গাজায় যে কোনো স্থল আক্রমণ একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। একটি সম্ভাব্য আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে, ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং ইসরায়েলি বিমান বাহিনী (আইএএফ) এর সম্মিলিত শক্তির সাথে ৪ লাখেরও বেশি সংরক্ষিত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
গাজায় ক্রমাগত বোমাবর্ষণে ৭০০ শিশুসহ ২ হাজার ৬৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ইসরায়েল ঘনবসতিপূর্ণ উপকূলীয় ছিটমহলের সমস্ত পানি, বিদ্যুৎ এবং খাবার বন্ধ করে দিয়েছে, তবে গতকাল দক্ষিণ অঞ্চলে পানি সংযোগ ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। গাজায় মিশরীয় নিয়ন্ত্রিত বর্ডার ক্রসিং রাফাহ আবার চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইসরায়েল ৭ অক্টোবরের হামলার জন্য হামাস কমান্ডার ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে দায়ি করেছে। ইসরায়েলও প্রায় ১৫০ জন জিম্মিকে উদ্ধার করার ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে যাদেরকে হামাস টানেল এবং ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরব লীগ এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন একটি স্থল আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে বলেছে, একটি সম্ভাব্য আক্রমণের ফলে অভূতপূর্ব অনুপাতের গণহত্যা হবে।








