চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

জলবায়ু অর্থায়ন কি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের কাছে পৌঁছাচ্ছে?

চ্যানেল আই অনলাইন চ্যানেল আই অনলাইন
১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ ১৬, নভেম্বর ২০২৪
- সেমি লিড, আন্তর্জাতিক, পরিবেশ
A A
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

পৃথিবীর বৈশ্বিক উষ্ণতার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে দরিদ্র দেশগুলোকে দেয়া অর্থিক সহায়তার পরিমাণ ধনী দেশগুলোকে দ্বিগুণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বিশেষজ্ঞরা এটাও বলেছেন যে, ধনী দেশগুলো কি তা করবে? আর বর্তমান অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য ইতোমধ্যেই কতটা সহায়তা করেছে?

শনিবার (১৬ নভেম্বর) ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) কোপেনহেগেন ক্লাইমেট সেন্টারের প্রভাব মূল্যায়ন ও অভিযোজন বিভাগের প্রধান হেনরি নেউফেল্ড এসব কথা বলেন।

হেনরি নেউফেল্ড বলেন, যে পরিমাণ অর্থ আসছে তা খুবই কম এবং যে অর্থ আসছে তা খুব ভালোভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের সেপ্টেম্বরে ঝড় ড্যানিয়েল লিবিয়ার দেরনা বন্দর শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যায়৷ এবং ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে দুটি বাঁধ ভেঙে বন্যার সৃষ্টি করে৷ এই বন্যা আশপাশের এলাকাগুলো ব্যাপক ক্ষতি করে এবং হাজারখানেক মানুষের প্রাণহানি ঘটে৷

বিজ্ঞানীরা জানান, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা ৫০ গুণ বেশি বেড়ে যায় এবং প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি তীব্র হতে পারে৷

লিবিয়ায় কয়েক দশকের সংঘাতের কারণে বিনিয়োগের ঘাটতিকে দায়ী করেছে জাতিসংঘ৷ পুরোনো অবকাঠামো অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত সামাল দিতে ব্যর্থ হয়৷ জাতিসংঘ জানায়, ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাঁধগুলো পুনর্নির্মাণ এবং প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য অর্থায়ন হলে অনেক মানুষের জীবন হয়তো বাঁচানো সম্ভব ছিল৷

Reneta

বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে চরম আবহাওয়ায় এমন ঘটনা বাড়ার সাথে সাথে ব্যর্থ অবকাঠামো প্রতিস্থাপনের মতো জলবায়ু-সম্পর্কিত প্রকল্পে অর্থায়ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে৷ তবে যেখানে এই অর্থ প্রয়োজন সেখানে তা পৌঁছানো সহজ নয়৷

জলবায়ু অর্থায়ন কোথায় হয়েছে?
জলবায়ু অর্থায়ন পর্যবেক্ষণ সেক্টর ক্লাইমেট পলিসি ইনিশিয়েটিভ জানায়, বিশ্বব্যাপী ২০২২ এবং ২০২৩ সালে প্রায় ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার (১.৪ ট্রিলিয়ন ইউরো) জলবায়ু-সম্পর্কিত প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা ২০১৯ সালে ব্যয়ের দ্বিগুণ, এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ভর্তুকিতে বিনিয়োগ করা অর্থের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

এই সংস্থার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, জলবায়ু-সম্পর্কিত অর্থের বেশিরভাগই বিনিয়োগকারী দেশেরঅভ্যন্তরীণ প্রকল্পে ব্যয় হয়৷ এর একটি বড় অংশ শিল্পোন্নত দেশ এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে ব্যয় হয়েছে৷

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে বরফ গলে যাচ্ছে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

জলবায়ু অর্থায়ন সাধারণত দুটি ভাগে বিভক্ত- প্রশমন (মিটিগেশন), যেমন নবায়নযোগ্য শক্তির অবকাঠামো নির্মাণ, যা জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে দূরে সরে আসতে সাহায্য করে৷ আর অভিযোজন (অ্যাডাপটেশন), যা বন্যা প্রতিরোধের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ব্যবহৃত হয়৷

উন্নয়নশীল দেশগুলোর উভয় ক্ষেত্রেই বেশি সহায়তা প্রয়োজন৷ ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর জোটের অর্থায়ন বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাইকাই রবার্টসন বলেন, এই অঞ্চলগুলো জলবায়ু অভিযোজন এবং প্রশমন উভয়ের খরচ বহন করতে হিমশিম খাচ্ছে এবং ক্রমবর্ধমান চরম আবহাওয়া মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলছে৷

দরিদ্র দেশগুলো, যারা বৈশ্বিক উষ্ণায়নে খুব কম অবদান রেখেছে, তারা তাপপ্রবাহ, ভারী বৃষ্টিপাত এবং খরার মতো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ৷

২০০৯ সালে শিল্পোন্নত দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা গ্লোবাল সাউথের দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিকভাবে সহায়তা করবে৷ যার পরিমাণ বলা হয়েছিল, ২০২০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার৷

এই অর্থায়নের লক্ষ্য ছিল দরিদ্র দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলা, যেমন সমুদ্র প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, নবায়নযোগ্য শক্তি বাড়ানো বা ভারী বৃষ্টিপাতের বিরুদ্ধে অবকাঠামো মজবুত করা৷ যদিও ১০০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য অবশেষে পূরণ করা হয়েছে৷ এবং এবারের কপ২৯ সম্মেলনে এই বিষয়ে আবারো আলোচনা করা হচ্ছে৷

ন্যাচারাল রিসোর্সেস ডিফেন্স কাউন্সিলের আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন বিষয়ক সিনিয়র অ্যাডভোকেট জো থোয়েটস বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো, এই অর্থ সঠিক সময়ে এবং সহজ উপায়ে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যাদের সত্যিই এটি প্রয়োজন।

জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার
এ পর্যন্ত জলবায়ু অর্থায়ন মূলত প্রকল্পভিত্তিক ছিল৷ দরিদ্র দেশগুলো শিল্পোন্নত দেশগুলোর সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে৷ এছাড়া বিশ্বব্যাংকের মতো বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক বা গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের মতো নির্ধারিত সংস্থাগুলোর মাধ্যমেও আবেদন করা হয়ে থাকে৷

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো যেমন স্বল্পোন্নত দেশ এবং ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর জন্য অর্থায়নে প্রবেশাধিকার পাওয়া বিশেষভাবে কঠিন৷ উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে, তুলনামূলকভাবে উচ্চ আয়ের দেশগুলোই মাথাপিছু সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন পায়৷

মাইকাই রবার্টসন বলেন, বৃহত্তম অর্থনীতিগুলোর প্রয়োজন বিবেচনায় রেখেই, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর এই প্রক্রিয়া নির্মাণ এবং ডিজাইন করা হয়েছে, যা তাদের অর্থায়নে জন্য সবযোগিতা করবে৷

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, টুভালুর জনসংখ্যা মাত্র কয়েক হাজার এবং হয়তো একটিই সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা এই সেবা দিতে সক্ষম, এই ধরনের বাস্তব পরিস্থিতিতে দেখা যায় যে প্রক্রিয়াগুলো ছোট দেশগুলোর জন্য বা নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপট অনুযায়ী তৈরি নয়৷

এছাড়াও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি তহবিল সম্পূর্ণ আলাদাভাবে পরিচালিত হয় এবং এর নিজস্ব নিয়মকানুন রয়েছে, যার ফলে আবেদন প্রক্রিয়া কয়েক বছর লেগে যেতে পারে৷ এর ফলে ছোট এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলো, যাদের এমন দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য কম সম্পদ রয়েছে, তারা বাদ পড়ে যেতে পারে৷

নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন
১০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতির অধীনে জলবায়ু অর্থায়নের বেশিরভাগই মিটিগেশন বা প্রশমনের জন্য বরাদ্দ৷ তবে, স্বল্পোন্নত দেশ এবং ছোট দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলো অভিযোজনের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি অর্থ পেয়ে থাকে৷

২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে তাদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের প্রায় অর্ধেকই অভিযোজনের জন্য ছিল, যার একটি বড় অংশ ছিল অনুদান আকারে, যা ফেরত দিতে হবে না৷

২০২২ সালে অভিযোজনের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ছিল আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন প্রতিশ্রুতির ২৮ বিলিয়ন ডলার, এবং এটি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ তবে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ধারণামতে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অভিযোজনের অর্থের বার্ষিক ঘাটতি রয়েছে ১৮৭ বিলিয়ন থেকে ৩৫৯ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে৷

যে অভিযোজন প্রকল্পগুলোর জন্য জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হচ্ছে, সেগুলোর প্রায় অর্ধেককে অযৌক্তিক বা আরও অর্থায়ন না হলে স্থায়ীভাবে টেকসই হওয়া সম্ভব নয়৷

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: জলবায়ুজলবায়ু অর্থায়নজলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকারবৈশ্বিক উষ্ণতা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

সৃষ্টির বাংলাদেশ

আগস্ট ৭, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: পরিবর্তনের দুই বছর, সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ

আগস্ট ৬, ২০২৬

গোল করার দক্ষতায় বিশেষ জোর হকি কোচ গেরহার্ডের

আগস্ট ৬, ২০২৬

দুই দেশের সম্পর্ক কোনদিকে যাবে ‘সিদ্ধান্তটা ভারতকে নিতে হবে’: শামা ওবায়েদ

আগস্ট ৬, ২০২৬

রিয়ালে হল না, এবার বার্সার সাথে চুক্তির আগ্রহ রদ্রির

আগস্ট ৬, ২০২৬
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT