ইরানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আমির হোসেন মাঘসুদলু। শ্রোতাপ্রিয়তার পাশাপাশি কিছু বিষয় নিয়ে তিনি বিতর্কিতও। ইরানি শ্রোতা দর্শকদের কাছে তিনি তাতালু নামে বেশী পরিচিত। সারা শরীর ভর্তি ট্যাটুতে পূর্ণ এই শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ইরানের একটি আদালত।
ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে রবিবার (১৯ জানুয়ারি) এই শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় দেশটির আদালত। ইরানের স্থানীয় সংবাদের বরাতে খবরটি প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো।
প্রকাশিত সংবাদগুলোতে জানানো হয়, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে অবমাননা করায় আমির হোসেন মাঘসুদলু ওরফে তাতালুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে রায়টি চূড়ান্ত নয়, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে শিল্পীর।
২০১৬ সালে ৩৭ বছর বয়সী এই গায়ককে ইরানে কয়েকবার গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১৮ সালে তিনি আবারও কারাবন্দী হন। সে বছর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে তুরস্কে চলে যান তাতালু। যেখানে তিনি নতুন নতুন গান তৈরি করেন এবং বিভিন্ন কনসার্টে পারফর্মও করেন।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তাকে ইরানের কাছে হস্তান্তর করে তুরস্ক। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। মহানবীকে নিয়ে কটুক্তি ছাড়াও তার বিরুদ্ধে বেশকিছু অভিযোগ রয়েছে। এরমধ্যে ‘পতিতাবৃত্তি’ প্রচার করার জন্য ১০ বছরের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে ইরান বিরোধী প্রচারণা এবং অশ্লীল কনটেন্ট বানানোর অভিযোগও রয়েছে।
বিতর্কিত ভাবমূর্তি থাকা সত্ত্বেও তাতালু একসময় রক্ষণশীল ইরানি রাজনীতিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এমনকি ২০১৭ সালে ইরানের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারেও অংশ নেন এই জনপ্রিয় পপ শিল্পী। শুধু তাই নয়, ২০১৫ সালে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সমর্থন করে একটি গানও গেয়েছিলেন তাতালু।- এনএমই








