কানাডায় এই সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য জি-৭ সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয় হওয়ার কথা ছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ।
রোববার (১৫ জুন) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, আলবার্টার রকি পর্বতমালায় তিন দিনব্যাপী এই শীর্ষ সম্মেলনে জি-৭ দেশগুলোর নেতারা এখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সে বিষয়েই সময় ব্যয় করবেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-ইসরায়েল প্রধান্য পাওয়ার কারণ ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে হামলার ঘটনায় বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়েছে।
যদিও ইসরায়েল এই হামলা মার্কিন অনুমতি ছাড়াই চালিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তবু জি-৭ নেতারা জানেন- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর প্রকৃত প্রভাব রাখতে পারেন।
জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, কানাডা, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত জি-৭ গ্রুপের নেতাদের মধ্যে ইতোমধ্যেই এ নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ শান্তি ও উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা ইসরায়েলি হামলাকে ‘অসহনীয়’ ও ‘চরম দুঃখজনক’ বলেছেন। আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই হামলাকে ‘চমৎকার’ বলে অভিহিত করেছেন।







