কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
আজ (১৯ মার্চ) বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান এলাকার প্রধান গ্যাস স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর পরপরই দেশটি ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক অ্যাটাশেদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে হাবশান গ্যাস স্থাপনা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইরানি হামলার পর। অন্যদিকে সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের দুটি তেল শোধনাগারেও হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির রাজধানী রিয়াদ থেকে বলা হয়েছে, ইরানের প্রতি যে সামান্য আস্থা ছিল, তা পুরোপুরি ভেঙে গেছে।
এর আগে ইসরায়েল ইরানের উত্তরাঞ্চলের বন্দর শহর বান্দার আনজালিতে নৌঘাঁটি এবং সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালায়। এই ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে এবং পুরো বিশ্বকে জড়িয়ে ফেলতে পারে।
এদিকে পাল্টা হামলায় ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতে তেল আবিব ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।








