প্রকাশ করা হয়েছে আগামী মৌসুমের আইপিএল শুরু তারিখ। প্রথমবারের মতো একসঙ্গে তিন মৌসুমের সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৪ মার্চ শুরু হবে ২০২৫ আসর, শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ হবে ২৫মে।
২০২৬ আইপিএল শুরু ১৫ মার্চ, পর্দা নামবে ৩১মে ফাইনালের মধ্য দিয়ে। ২০২৭ আসর শুরু হবে ১৪ মার্চ, ফাইনাল ৩০মে।
টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য যেমন একেক মৌসুমে একেকরকম, তেমনি ম্যাচের সংখ্যাতেও আছে ভিন্নতা। গত দুই আসরের মতো আগামী আসরেও মোট ম্যাচ ৭৪টি, কিন্তু পরের আসরে হবে ৮৪টি এবং ২০২৭ আসরে ৯৪টি। নিশ্চিতভাবে বলা যায় টুর্নামেন্টের ফরম্যাটেও পরিবর্তন আসতে চলেছে।
আইপিএল কর্তৃপক্ষ ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে জানিয়েছে, বেশিরভাগ আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশের খেলোয়াড়রা পরবর্তী তিন বছর আইপিএলে খেলার বিষয়ে নিজ দেশের বোর্ড থেকে সম্মতি পেয়েছেন। তবে রাজনৈতিকভাবে বৈরী সম্পর্ক থাকায় এর মধ্যে পাকিস্তান নেই।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ১৩ জন ক্রিকেটারের একটি তালিকা পাঠিয়েছে। এ খেলোয়াড়দের একেকজনকে আগামী তিন বছরের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে পাওয়া যাবে। ২০১১ আসর থেকে ৯ মৌসুম খেলা সাকিব আল হাসান, ২০১৬ থেকে নিয়মিত মুখ মোস্তাফিজুর রহমান, ২০২৩ সালে কলকাতার হয়ে এক ম্যাচে নামা লিটন দাস আছেন।
বাংলাদেশ থেকে আরও আছেন অফস্পিন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ, পেসার তাসকিন আহমেদ, লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন, ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়, পেসার শরিফুল ইসলাম, পেসার তানজিম হাসান, অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান, পেসার হাসান মাহমুদ, পেসার নাহিদ রানা ও শহীদুল ইসলাম। তবে নিলামের জন্য বাছাই করা হয়েছে ১২ জনকে।
২৪ ও ২৫ নভেম্বর দুদিনব্যাপী হবে এবারের নিলাম। যেখানে ৩৬৬ জন ভারতীয় ও ২০৮ জন বিদেশি ক্রিকেটার দল পেতে সুযোগের খোঁজে থাকবেন। আইসিসির সহযোগী দেশগুলো থেকে এবার ৩ জন উঠবেন নিলামে। অভিষেক হয়নি এমন ভারতীয় ক্রিকেটার থাকছেন ৩১৮ জন, বিদেশি ১২ জন।
আসরে অংশ নিতে চলা ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজি ২০৪ জন ক্রিকেটারকে নিতে পারবে। বিদেশিদের জন্য অবশ্য ৭০টি জায়গা ফাঁকা আছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো অনেক তারকা ক্রিকেটারকেই আগে থেকে রিটেইন(ধরে রাখা) করে রেখেছে।







