রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোরের বিপক্ষে শেষ বলে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের এক উইকেটের ক্ল্যাসিক জয়ের নায়ক নিকোলাস পুরান। ১৯ বলে ৪ চার ও ৭ ছক্কায় ৬২ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের দর্শকদের সম্মোহিত করে রেখেছিলেন ক্যারিবীয় তারকা।
২১৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে লক্ষ্ণৌ ৯৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ক্রিজে আসেন পুরান। ১২তম ওভারের প্রথম বলে ১৮ রান করা রাহুল আউট হলে লক্ষ্ণৌর স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১০৫। জয়ের জন্য তখনও দরকার ৫৩ বলে ১০৮ রান। ম্যাচের বাকি অংশে অবিশ্বাস্য এক চিত্রনাট্যের দেখাই মিলেছে।
নিকোলাস পুরান ক্রিজে এসে বেঙ্গালোর বোলারদের নাকের জল চোখের জল এক করে দেন। মাত্র ১৫ বলে তুলে নেন ফিফটি। ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড় হিসেবে নামা আয়ুষ বাদোনিকে নিয়ে চোখের পলকে গড়েন ৮৯ রানের জুটি।
সোমবার রাতের অবিশ্বাস্য জয়ের পর পুরান নিজের অনুভূতি তুলে ধরেছেন। কয়েক বছর ধরে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স দেখাতে না পারার জন্য হতাশায় ছিলেন, সেটিও সামনে এনেছেন।
‘আমি আজ ব্যাট হাতে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছিলাম। এভাবেই জ্বলে উঠতে চাই। গত কয়েক বছর হতাশার ভেতর কাটিয়েছি। দলের জন্য ম্যাচ জিততে চেষ্টা করেছি। আজ স্পষ্টতই এটা শেষপর্যন্ত ভালোভাবে আমার ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে। দলকে জেতাতে চাই। নিজের খেলা নিয়ে সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করেছি। আজ আমরা সেই জয় তুলতে পারায় আনন্দিত।’
লক্ষ্ণৌ ৪ ওভারে ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। ওপেনিংয়ে অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ধীরগতির ব্যাটিং করলেও স্টয়নিস ছিলেন আগ্রাসী। দুজনে চতুর্থ উইকেটে যোগ করেন ৭৬ রান। ফিফটি তুলে নেয়া স্টয়নিস ৩০ বলে ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচের মোড় ঘোরানোর কাজটা করেন।
অজি ব্যাটারের সময়োপযোগী আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রশংসায় পুরান বলেছেন, ‘স্টয়নিস সত্যিই ভালো খেলেছে। এটা আমাদের খেলায় ধরে রেখেছিল। আমাদের মনে হয়েছিল প্রতি ওভারে ১৫ রান করে নিয়ে লক্ষ্য তাড়া করতে পারি। পিচটা ব্যাট করার জন্য সত্যিই চমৎকার ছিল। সুবিধা আদায় করে নিয়ে ও সঠিক পরিস্থিতিতে তা কাজে লাগানোর দরকার ছিল।’







