অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘যে সেন্সরবোর্ড আগে ছিল, সেটি পুনর্গঠন করা হবে, পাশাপাশি বেশি বেশি চলচ্চিত্র বানাতে হবে।’ আইসিটি’র পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর রোববার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে দপ্তর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ।
তিনি বলেন, ‘সেন্সরবোর্ডের পাশাপাশি আরও যে জুরি বোর্ড (জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, সরকারী অনুদান) সেগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করা উচিত। সার্বিকভাবে, আমাদের চলচ্চিত্র নিয়ে অনেক বেশি কাজ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মের চলচ্চিত্র নির্মাণ নিয়ে অনেক আকাঙ্ক্ষা। তরুণ নির্মাতাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বেশি করে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।’
অমীমাংসিত, শনিবার বিকেল, রানা প্লাজা, মেকআপ, কাঠগোলাপ , আমার বাইসাইকেল, নমুনা চলচ্চিত্রগুলো দীর্ঘদিন যাবত চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডে নীতিমালার মারপ্যাঁচে আটকে আছে। এসব চলচ্চিত্রের বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম অবগত রয়েছেন।
তিনি বলেন, যেসব চলচ্চিত্র আটকে আছে, সেগুলো পুনরায় বিবেচনা করা উচিত এবং নীতিমালা ভঙ্গ না হলে সেগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে ছেড়ে দেয়া উচিত। সেন্সর বোর্ড না থাকার একটি দাবি উঠেছে সেটিও আমরা আলোচনা করে যৌক্তিকতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেব। এক্ষেত্রে কোন ধরনের স্বজন-প্রীতি কিংবা ব্যক্তিগত পরিচয় যাতে বিবেচনায় না নেওয়া হয়। যদি গণতন্ত্র চাই তাহলে আমাদের গণমাধ্যমের বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে ।
নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে আরও বলেন, আশি বা নব্বই দশকের প্রজন্ম ছাড়া কেউ বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) দেখে কি না জানা নেই। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুততার সঙ্গে গতিশীল ও আধুনিক করা দরকার।
”সেগুলো খুবই স্থবির অবস্থায় আছে। বিটিভিকে দেখলে মনে হয় এটা আশি বা নব্বই দশকের বিটিভি। ওই জেনারেশনই বিটিভি দেখে, আর কেউ বিটিভি দেখে কি না জানি না।
উপদেষ্টা বলেন, এর একটা দিক হলো এর দলীয়করণ, রাজনীতিকরণ আছে, আরেকটা হচ্ছে, কনটেন্টগুলো মনে হচ্ছে এই প্রজন্মের জন্য নয়। সেই জায়গা থেকে মনে করি, সব প্রতিষ্ঠানকে আধুনিকীকরণ করা উচিত।








