ছাত্রজনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া দুই নেতাকেও। যাদের একজন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। দেশের প্রয়োজনে দায়িত্বগ্রহণ করলেও ভুলে যাননি আন্দোলনে শহীদ হওয়াদের। দেখা করছেন শহীদদের পরিবারের সদস্যদের সাথে।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) মিরপুরের পাইকপাড়ায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত কলেজ ছাত্র আহনাফের বাসায় তার পরিবারের সাথে সাক্ষাত করেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এসময় উপদেষ্টা বলেন, গনঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্ররা যেভাবে রাস্তায় নেমে এসেছিল, তাদের আত্মত্যাগের ফলে আজ আমরা নতুন স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। খুব শীঘ্রই সকল শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি স্মরণসভা করা হবে। সেখানে আপনাদের উপস্থিতি কাম্য।
তিনি বলেন, আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের দেশ মনে রাখবে। নাম না জানা অনেক ছাত্র-জনতা এ আন্দোলনে শহীদ হয়েছে। তাদের তালিকা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৮০০ জনের নাম পাওয়া গিয়েছে। শহীদদের জন্যই আমরা বেঁচে আছি। স্বাধীনভাবে, প্রাণ খুলে কথা বলতে পারছি।

তথ্য উপদেষ্টা আহনাফের ছোট ভাইয়ের পড়াশোনার খোজ খবর নেন এবং এখন থেকে যেকোন সময়, যেকোন প্রয়োজনে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
এসময় বাসায় আহনাফের মা, বাবা, দুই ভাই এবং খালা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শহীদ শফিক উদ্দিন আহমেদ আহনাফ (১৭) রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে গত ৪ আগস্ট সে মিরপুর ১০ এ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। গুলি তার বুকের ডান দিক দিয়ে ঢুকে অপর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায় বলে জানা গেছে।







