চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা সীমান্তের বড়কিয়া এলাকায় ভারতের অভ্যন্তরে জহুর আলী (৫০) নামে এক বাংলাদেশীর মরদেহ নিয়ে গেছে ভারতীয় পুলিশ।
ভারতের খোয়াই পুলিশ স্টেশনের পুলিশ মরদেহটি খোয়াই হাসপাতাল মর্গে নিয়ে গেছে। তবে স্থানীয়দের ধারণা বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
নিহত জহুর আলী ওই উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুলনা গ্রামের গনকিপাড়ার মনসুব উল্লাহ’র ছেলে। সোমবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর আলম জানান, ভারতের অভ্যন্তরে বড়কিয়া সীমান্তে একজন বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ খোয়াই পুলিশ স্টেশনের পুলিশ নিয়ে গেছে। তার মরদেহ খোয়াই হাসপাতালে রাখা হয়েছে বলে জেনেছেন। তবে কিভাবে তিনি মারা গেছেন বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি।
তিনি বলেন, এখন মরদেহ আনার জন্য বিজিবি’র পক্ষ থেকে যোগাযোগ করতে হবে। আমাদের এ বিষয়ে কিছু করার নেই।
হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি’র অপারেশন অফিসার আদম আলী বলেন, জানতে পেরেছি একজন বাংলাদেশির মরদেহ ভারতীয় পুলিশ নিয়ে গেছে। ঘটনাস্থল ভারতের অভ্যন্তরে হওয়ায় লাশটি তারা নিয়ে গেছে। এখনও আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারিনি। কিভাবে মারা গেছেন তাও জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে জহুর আলী একজন সঙ্গীকে নিয়ে বাল্লার গুইবিল সীমান্তে যান। এ সময় বিএসএফ ধাওয়া দিলে জহুর আলী তাদের হাতে ধরা পরেন। তার সঙ্গী পালিয়ে যান। বিএসএফ জহুর আলীকে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালে তারা জানতে পারেন তার মরদেহ খোয়াই পুলিশ সীমান্ত থেকে উদ্ধার করেছে। তাদের ধারণা তাকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ সীমান্তে ফেলে রাখা হয়।








