চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

হল বাঁচাতে ভারতীয় সিনেমা আমদানির পক্ষে তারা

সিনেমার সংকট কাটাতে দেশের সিনেমা হল মালিকরা এরআগে একাধিকবার ভারতীয় সিনেমা আমদানির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তখন এমন উদ্যোগের বিপক্ষে অবস্থান নেয় পরিচালক সমিতিসহ এফডিসির সকল সংগঠন। তবে ‘দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মতো অবস্থা’ তৈরী হওয়ায় চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি হল মালিকদের পুরনো সেই দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে জানালো, ‘দেশের সিনেমা হলে ভারতীয় সিনেমা চলুক’।

চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান চ্যানেল আই অনলাইনকে ভারতীয় সিনেমা আমদানির পক্ষে ইতিবাচক ইচ্ছা পোষণ করে বলেন, আমরা সবাই মিলে চাচ্ছি ভারতীয় সিনেমা আসুক। সিনেমার সঙ্গে জড়িত সংগঠনগুলো চাচ্ছে ভারতীয় সিনেমা আসুক। সেই পরিবেশ আমরা তৈরি করে দিতে চাই, নইলে সিনেমা হলে না আসার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে যাবে দর্শক!

Reneta June

শুধু পরিচালক সমিতি নয়, চলচ্চিত্র পরিবারের সকল সংগঠন চাইছে, ভারতীয় সিনেমা আসুক। একসঙ্গে মিটিং করে এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বলে জানান ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার পরিচালক সোহান।

বিজ্ঞাপন

“সবকিছু বিচার বিশ্লেষণ করে আগামী দুই-তিন বছরের জন্য আমাদের দেশে ভারতীয় সিনেমা চালানো হোক। তবে নিয়ম হতে হবে বছরে ১০টির বেশি ভারতীয় সিনেমা যেন আমদানি করা না হয়। ইতোমধ্যে আমরা তথ্য মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি জানিয়েছি।” -বলেন সোহান।

ভারতীয় সিনেমা আমদানির পক্ষে শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনও। তিনি বলেন, আমরা ছবির সংখ্যা বাড়াতে পারিনি। তাই ভারতীয় ছবি আমদানির প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। একটা সময় বেঁধে দিয়ে আমদানির অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। সিনেমা আমদানির মাধ্যমে যদি বন্ধ সিনেমা হল খুলতে পারি, তাহলে এর মাধ্যমে বেনিফিট হতে পারে বলে মনে করি।

তিনি বলেন, সরকার সবকিছু করে দেবে না। যদি আমরা সবাই এক সুরে কথা বলি, তাহলে সরকার কিছু করবে। সেজন্য সবাইকে এক হতে হবে। সিনেমা হলগুলো চালু না রাখলে ব্যবসা হবে না। আর ব্যবসা না করলে প্রযোজক আরেকটা ছবি বানাতে পারবেন না। কারণ একটি সিনেমা বানাতে অনেক টাকা লগ্নি করতে হয়। আমি সেই ছবিতে কাজ করলাম কি না, সেটা বড় কথা না। আমি চাই বেশি বেশি সিনেমা নির্মিত হোক। শিল্পীরা যেন কাজ করতে পারেন, সেই চেষ্টা আমি করে যাচ্ছি।