নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। প্রোটিয়াদের দেয়া ৪০০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটে নেমে ইংলিশরা গুটিয়ে যায় ২২ ওভারে ১৭০ রানে। বিশ্বকাপে প্রথমবার দুইশর বেশি রানে পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। ম্যাচ শেষে হতাশা লুকাননি ইংলিশ অধিনায়ক জশ বাটলার।
অসহায় আত্মসমর্পণের সুর শোনা গেছে অধিনায়কের কণ্ঠে। বলেছেন, ‘এই হার আসলে মেনে নেয়া যায় না। খুবই হতাশার। ভালো খেলার আশা নিয়েই শুরু করেছিলাম। কিন্তু নিজেদের সেরাটা দিতে পারিনি। স্পষ্টভাবেই আমরা খারাপ খেলে হেরেছি। প্রথম ইনিংসে অনেককিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি।’
‘মনে রাখা জরুরি যে, এটি ৫০ ওভারের ম্যাচ। তারপরও আমরা ভেবেছিলাম, এই উইকেটে তাদের ৩৪০-৩৫০ রানে আটকাতে পারলে সেটি হয়ত তাড়া করা যাবে। কিন্তু তারা আসলে আমাদের ধারণারও বাইরে চলে যায়।’
মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতেও ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ব্যাটিং না নেয়ার আক্ষেপের কথা শোনা গেছে বাটলারের মুখে। বলেছেন, ‘প্রথমে বোলিং নেয়াটা সম্ভবত একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ম্যাচের পর এসব নিয়ে ভাবতে হবে এবং সিদ্ধান্তগুলোকে কাটাছেঁড়া করতে হবে। আপাতদৃষ্টিতে প্রচণ্ড গরম ও মানসিকভাবে এগিয়ে থাকার জন্যে হলেও আগে ব্যাটিং নেয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত হতো। তাপের সঙ্গে অবিশ্বাস্য রকমের কঠিন কন্ডিশন, দেখেছেন মাঠে ছেলেদের অবস্থা কেমন ছিল। পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন ছিল।’
‘দিল্লিতে আফগানদের বিপক্ষে আমরা হতাশাজনকভাবে হেরেছি। কিন্তু আমরা বেশ কয়েকদিন সময় পেয়েছিলাম নিজেদের নিয়ে কাজ করার। এখন এই হার আমাদেরকে কঠিন পরিস্থিতিতে পৌঁছে দিয়েছে। এখান থেকে পরবর্তী সময়ে ভুল করার সুযোগ নেই। আমরা আবারও সবাই বসবো, কোথায় সমস্যা হচ্ছে সেটি জানার চেষ্টা করবো।’
মুম্বাইয়ে শনিবার ৪০০ রানের লক্ষ্যে নেমে ২২ ওভারে ১৭০ রানে থমকে যায় ইংল্যান্ড। ২২৯ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাটলারের দল। বিশ্বকাপে প্রথমবার, এমনকি ওয়ানডেতেও রানের হিসেবে তাদের সবচেয়ে বড় পরাজয়। ২০২২ সালে মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরেছিল ২২১ রানে।
এই হারে সেমিফাইনালের দৌড় থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পয়েন্ট টেবিলের নয়ে নেমে গেছে ইংল্যান্ড। চার ম্যাচে এক জয়ে ২ পয়েন্ট তাদের। সমান ম্যাচ খেলে সবগুলোতে জয় নিয়ে শীর্ষে নিউজিল্যান্ড। নেট রানরেটে কিউইদের চেয়ে পিছিয়ে দুইয়ে ভারত। এক জয় নিয়ে ছয়ে আছে বাংলাদেশ।







