আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশ নেয়া নির্ভর করছিল দেশটির সরকারের উপর। রোববার সরকার থেকে সবুজ সংকেত পেয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আসরে অংশ নিলেও গ্রুপপর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এটি না খেললেও পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ থাকবে সালমান আঘাদের সামনে। তাই প্রশ্ন উঠেছে, পরের রাউন্ড অর্থাৎ সেমিফাইনাল বা ফাইনালে যদি ভারতের সঙ্গে ম্যাচ পড়ে, সেটিও বয়কট করবে পাকিস্তান?
সাবেক ক্রিকেটার ও ভারতীয় ধারাভাষ্যকার আকাশ চোপড়া এক্স একাউন্টে ভিডিওতে বলেছেন, ‘পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত ম্যাচ বয়কট করবে। কেন? ভারতের সাথে তারা খেলবে না। ভারতকে যেমন দুবাইয়ে ভেন্যু দেয়া হয়েছে, পাকিস্তানকে কলম্বোতে ভেন্যু দেয়া হয়েছে। খেলুন ম্যাচটা। তারা বলছে, না না আমরা এভাবে খেলব না। তাহলে আপনারা কী করবেন? এমন একদিনে ঘোষণা আসলো যেদিন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বুলাওয়েতে দুদল খেললো। অনূর্ধ্ব-১৯ দল আপনাদের নয়?’
‘পাকিস্তান বলেছে ১৫ ফেব্রুয়ারি ম্যাচ বয়কট করবে। যদি সেমিফাইনালে দেখা হয়, তখন তারা কি বলবে আমরা তো মজা করেছি, আমরা বয়কট করব না। আরে, আপনাদের যুক্তিটা কী? একদিন বয়কট করব, আরেকদিন করব না, এটা কেমন কথা? পাকিস্তানের এই হিপোক্রেসির বিরুদ্ধে বিশ্ব ক্রিকেটই অবস্থান নিতে পারে, আইসিসি নয়। আপনারা আসলে কী করতে চাচ্ছেন? বুঝতে পারছি না। পাকিস্তানে যারা আছেন তারা কী বুঝতে পারছেন? পারলে আমাকে জানান।’
ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলেও একই প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপে যায় কিন্তু ভারতের বিপক্ষে না খেলে, তাহলে আইসিসি কী প্রতিক্রিয়া দেখায় সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। আইনগত অবস্থান সম্পর্কে বা অগ্রাধিকার কীভাবে কার্যকর হয় তা জানি না। আইসিসি যদি বলে সম্প্রচারকারীদের ক্ষতি পাকিস্তানের রাজস্বের অংশ থেকে কেটে নেয়া হবে, তাতে অবশ্য অবাক হবো না। যাই হোক, যদি ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল হয়?’
২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার প্রতিক্রিয়ায় টুর্নামেন্ট বয়কটের হুমকি দিয়েছিল পাকিস্তান। বিশ্বকাপ ইস্যুতে রোববার প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসেছিলেন পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি। বৈঠকে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, পুরো টুর্নামেন্ট বয়কট না করলেও বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করবেন তারা।








