রোববার মাঠে গড়াচ্ছে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল। শিরোপামঞ্চে লড়বে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ভারতের সুযোগ টানা দুই এবং মোট তিনবার শিরোপা উঁচিয়ে ধরার। অন্যদিকে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার জন্য মরীয়া কিউইরা।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে রোববার রাতে সোয়া লাখের বেশি ধারণক্ষমতার মাঠে প্রতিপক্ষের সঙ্গে দর্শকদের বিপক্ষেও লড়তে হবে কিউইদের। গ্রুপপর্বে প্রতিটি ম্যাচ জিতে সুপার এইটে পা রেখেছিল ভারত। এই রাউন্ডে শুরুটা হয় সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে হেরে। সেমিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টিকিট কেটেছে তারা। অন্যদিকে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে গ্রুপপর্বে এবং সুপার এইটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরেছিল কিউইরা। সেমিতে তাদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি প্রোটিয়ারা।
ফাইনালের আগে দুদলের শক্তিমত্তায় চোখ রাখা যাক। পরিসংখ্যান বলছে, কিছুটা এগিয়ে স্বাগতিক ভারত। চলতি বিশ্বকাপে পারফরম্যান্সের দিক থেকেও এগিয়ে তারা। গ্রুপপর্ব এবং সুপার এইট মিলিয়ে ৮ ম্যাচে ৭ জয়ে ফাইনালে এসেছে। একই সংখ্যক ম্যাচ খেলে কিউইদের জয় ৫টি। দুদল এখন পর্যন্ত এই আসরে মুখোমুখি হয়নি।
বিশ্বকাপের আগে ভারতে সিরিজ খেলতে এসেছিল নিউজিল্যান্ড। ৫ ম্যাচের টি-টুয়েন্টিতে ৪-১ ব্যবধানে জিতেছিল স্বাগতিকরা। দুদলের ৩০ বারের দেখায় ১৮ জয় ভারতের ঝুলিতে, বিপরীতে ১১ জয় নিউজিল্যান্ডের, ১টি ম্যাচ ড্র হয়েছিল।
ভরসার দিক থেকে আছেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার ফিন অ্যালেন, সেমিতে ৩৩ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেছেন যিনি। ২৮৯ রান করে আসরে সর্বোচ্চের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন। ভারতের বারুণ চক্রবর্তী ১৩ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে শ্যাডলি ভ্যান শালকউইক, ব্লেসিং মুজারাবানী, আদিল রশিদের সাথে প্রথম স্থানে আছেন।
বিশ্বকাপের অতীত পরিসংখ্যান বলছে, আগে তিনবার ফাইনাল খেলেছে ভারত, যার মধ্যে প্রথম আসর ২০০৭ সালে এবং সর্বশেষ আসর ২০২৪ সালের চ্যাম্পিয়ন হয়। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড ২০২১ সালের ফাইনালিস্ট, তারা অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৮ উইকেটে হেরেছিল।
ভারতের হাতে তিনটি রেকর্ড ছোঁয়ার হাতছানি। আসরে জিততে পারলে প্রথম দল হিসেবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ তিনবারের চ্যাম্পিয়ন হবে তারা, প্রথম দল হিসেবে ঘরের মাঠে শিরোপা জিততে পারবে এবং টানা দুটি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রথম গৌরব ছোঁবে।







