চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ২০০২ আসরে শ্রীলঙ্কার সাথে যৌথভাবে শিরোপা জিতেছিল ভারত। দ্বিতীয় শিরোপাটি এসেছিল ২০১৩ আসরে। এবার তৃতীয় শিরোপা থেকে অর্ধেক পথ দূরে দাঁড়িয়ে তারা। ফাইনালে ভারতের সামনে খুব বড় লক্ষ্য দাঁড় করাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। কিউইদের ভালো শুরুর পর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান চেপে ধরে ভারত। শেষঅবধি রোহিতদের সামনে ২৫২ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে মিচেল স্যান্টনারের দল।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে নিউজিল্যান্ড। নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেটে ২৫১ রানের সংগ্রহ গড়ে তারা।
আগে ব্যাটে নামা কিউইদের ভালো শুরু এনে দেন উইল ইয়াং ও রাচিন রবীন্দ্র। উদ্বোধনীতে ৫৭ রান তোলেন দুজনে। ৭.৫ ওভরে ইয়াং ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ২৩ বলে ১৫ রান করে যান। ১০.১ ওভারে ৬৯ রানে ফিরে যান রাচিন। ২৯ বলে ৩৭ রান করে।
১২.২ ওভারে কেন উইলিয়ামসনের উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। ১৪ বলে ১১ রান করেন তিনি। পরে টম ল্যাথামকে নিয়ে হাল ধরেন ড্যারিল মিচেল। ২৩.২ ওভারে ১০৮ রানে ল্যাথাম ফিরে গেলে চতুর্থ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। ৩০ বলে ১৪ রান করেন তিনি।
পঞ্চম উইকেটে গ্লেন ফিলিপসকে নিয়ে ৫৭ রান তোলেন ড্যারিল মিচেল। ৩৭.৫ ওভারে ১৬৫ রানে ফিলিপস ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ৫২ বলে ৩৫ রান করেন কিউই অলরাউন্ডার।
এরপর মাইকেল ব্রেসওয়েলকে নিয়ে দুইশ পার করেন মিচেল। ৪৫.৪ ওভারে মিচেল ফিরে যান ১০১ বলে ৬৩ রান করে। ৪৯তম ওভারের শেষ বলে মিচেল স্যান্টনার ফিরে যান দলীয় ২৩৯ রানে। ১০ বলে ৮ রান করেন কিউই অধিনায়ক।
নাথান স্মিথকে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন ব্রেসওয়েল। তিনটি চার ও দুই ছক্কায় ৪০ বলে ৫৩ রান করেন।
ভারতের হয়ে কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী দুটি করে উইকেট নেন। রবীন্দ্র জাদেজা ও মোহাম্মদ শামি নেন একটি করে উইকেট।








