তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কারণে কয়েকদিন আগে ভারতকে ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। নিষেধাজ্ঞার কারণে জাতীয় দলের পাশাপাশি দেশটির কোনো ক্লাব ফিফা কিংবা এএফসির কোনো টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে না। ক্লাবগুলোর ওপর থেকে এমন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে অনুরোধ জানিয়েছে ভারতের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার ই-মেইলের মাধ্যমে ফিফাকে এ অনুরোধ জানিয়েছে ভারতের ক্রীড়া মন্ত্রনালয়। আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে ভারতের মন্ত্রণালয়টি।
‘ক্লাবগুলোকে মেয়েদের এএফসি ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। তরুণ খেলোয়াড়দের স্বার্থে ফিফা এবং এএফসিকে অনুরোধ করা হয়েছে।‘
এএফসি মহিলা ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে উজবেকিস্তানে অবস্থান করছে এটিকে মোহনবাগানের প্রমীলা দল। ২৩ আগস্ট তাদের ইরানের একটি দল এবং ২৬ আগস্ট স্বাগতিক দেশের একটি ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলার কথা রয়েছে তাদের। একই টুর্নামেন্টে খেলতে যাওয়ার কথা কেরালার ক্লাব গোকুলামেরও। দল দুটিকে সব ধরনের হয়রানি থেকে বাঁচানোর জন্য কাজ করবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানায় ভারতের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
‘মোহনবাগানকে সব ধরনের সহায়তা করতে ভারতের উজবেকিস্তান দূতাবাস প্রস্তুত রয়েছে। মন্ত্রণালয় গোকুলাম দলের সাথেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।’
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এআইএফএফকে চলতি বছরের মে মাসে নির্বাচিত প্রশাসক কমিটির (সিওএ) তত্ত্বাবধানে রেখেছিল। জুন মাসে সিওএ এ ব্যাপারে দেখভালের জন্য আরেকটি কমিটি গঠন করে। কিন্তু ফিফা থেকে তীব্র আপত্তি জানানোর একদিন পরে সেই কমিটি ভেঙে দেয়া হয়েছিল।
আগামী ১৭ আগস্ট এআইএফএফ-এর নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ও গঠনতন্ত্র তৈরির বিষয়ে সিওএ’র কাছ থেকে তাদের শুনানি গ্রহণ করবে সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে এদিন এআইএফএফ সভাপতি পদের জন্য মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ তারিখ।
ফিফা আরও বলেছে, তারা ভারতের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগে রক্ষা করছে। ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা আশাবাদী যে, বিষয়টির ইতিবাচক ফল মিলবে।
প্রসঙ্গত, ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (সিওএ) দ্বারা অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) পরিচালিত হচ্ছে। ফিফার আইন অনুযায়ী যা স্পষ্টভাবে হস্তক্ষেপ।







