টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর এখন শেষধাপের মহারণে। একদিন বিরতি দিয়ে সেরা চার দলের সেমি গড়ানোর অপেক্ষা। দ্বিতীয় সেমিতে লড়বে সাবেক চ্যাম্পিয়ন ভারত ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে দেখে নেয়া যাক পরিসংখ্যানের খতিয়ান।
গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার রাতে টিম ইন্ডিয়ার বিপক্ষে নামবে ইংলিশবাহিনী। ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার মাঠে খেলা শুরু বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়। শনিবার একই সময় মাঠে গড়াবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ।
গ্রুপপর্বে ৪ ম্যাচে ৩ জয় ও কানাডার বিপক্ষে ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে সুপার এইটে ওঠে ২০০৭ সালের চ্যাম্পিয়ন ভারত। দ্বিতীয় রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের সঙ্গে জিতে গ্রুপ-১ এর শীর্ষে থেকে সেমিতে পা রাখে রোহিত শর্মার দল। বিপরীতে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায়ের শঙ্কায় ছিল জশ বাটলারের দলের।
‘বি’ গ্রুপে প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগির পর দ্বিতীয়টিতে ইংলিশরা হেরে বসে অস্ট্রেলিয়ার কাছে। ওমান ও নামিবিয়ার সঙ্গে বড় ব্যবধানে জিতে শেষপর্যন্ত সেরা আটে পা রাখে ২০১০ ও ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। সুপার এইটের গ্রুপ-২ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে সেমির টিকিট কাটে।
মুখোমুখি দীর্ঘ পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে ভারত-ইংল্যান্ড দুদলের জয়ের পাল্লা সমানে সমান। ২৩ টি-টুয়েন্টিতে টিম ইন্ডিয়ার ১২ জয়ের বিপরীতে ইংলিশদের জয় ১১টিতে। ঘরের মাঠে বেশ শক্তিশালী ভারত। ৬ জয়ের বিপরীতে প্রতিপক্ষের মাঠে জয় ৪টি। নিরপেক্ষও ভেন্যুতে তাদের জয় ২টি। অন্যদিকে ঘর ও প্রতিপক্ষের মাঠে ৫টি করে জয় ইংল্যান্ডের, একটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-ইংল্যান্ডের দেখা হয়েছে ৪বার। সেখানেও দুদল লড়েছে সমানে সমান। দুটি করে জয়-পরাজয় রয়েছে তাদের। বিশ্বমঞ্চে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর ২১৮, ইংল্যান্ডের ২০০। সর্বনিম্ন ভারতের ১৫০ রানের বিপরীতে ইংল্যান্ডের ৮০।
২০২২ বিশ্বকাপে সবশেষ দেখা হয়েছিল দুদলের। দুবছর আগের স্মৃতিটা যেকোনো মূল্যে ভুলে যেতে চাইবে ভারত। ইংল্যান্ডের কাছে ১০ উইকেটে হেরে গিয়েছিল তারা। আইপিএলের দেশ হয়ে প্রথম আসরের পর ট্রফি জয়ের স্বাদ না পাওয়া নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়ে ভারতকে। এবারের আসরেও টিম ইন্ডিয়াকে সেই দুঃসহ স্মৃতি উপহার দিতে চায় ইংল্যান্ড।








