ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপের শিরোপা হাতছাড়া হয়েছে ভারতের। ক্ষত শুকানোর আগেই সেই অজিদের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে নেমছে ভারত। পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে ফিরেছিলেন ঈশান কিষাণ ও সূর্যকুমার যাদব। এরপর শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ২ উইকেটে জয় পেয়েছে ভারত।
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তমে ড. ওয়াই. এস. রাজশেখর রেড্ডি এসিএ–ভিডিসিএ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে অজিদের ব্যাটে পাঠান ভারতের অন্তর্বতীকালীন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। জশ ইংলিশের সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ওভার শেষে ৩ উইকেটে ২০৮ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে নেমে ইনিংসের শেষ বলে জয় নিশ্চিত করে ভারত।
পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকল ভারত। রোববার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুদল।
টসে হেরে ব্যাটে নেমে অজিদের শুরুটা ভালোই হয়েছে। ম্যাথু শর্ট ১৩ রান করে ফিরে গেলে ১৩০ রানের জুটি গড়েন স্টিভেন স্মিথ ও জশ ইংলিশ। দলীয় ১৬১ রানে স্মিথ ফিরে যান আট চারে ৪২ রান করে।
জশ ইংলিশ ৫০ বলে ১১০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ফিরে যান। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার শিকার হওয়ার আগে হাঁকিয়েছেন এগারোটি চার ও আটটি ছক্কা। এছাড়া মার্কাস স্টয়নিস ৬ বলে ৭ রানে ও টিম ডেভিড ১৩ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন।
ভারতের হয়ে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ও রবি বিষ্ণোই একটি করে উইকেট নেন।
রান তাড়ায় নেমে স্বাগতিকদের শুরুটা ভালো না হলেও ভিত গড়ে দেন ঈশান কিষাণ ও সূর্যকুমার যাদব। ৩৯ বলে ৫৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন কিষাণ। ছিল দুটি চার ও পাঁচটি ছক্কার মার। ৪২ বলে ৮০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ফিরে যান সূর্যকুমার। নয়টি চার ও চারটি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস।
এরপর নাটকীয়তার জন্ম দেন ভারতীয় ব্যাটাররা। সাত রান করতে গিয়ে হারান তিন উইকেট।
শেষ ওভারে ভারতের দরকার ছিল সাত রান। বলে আসেন শন অ্যাবট। ওভারের প্রথম বলে চার মারেন রিংকু সিং। দ্বিতীয় বলে এক রান নিয়ে স্ট্রাইকে পাঠান অক্ষর প্যাটেলকে। জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল তখন চার বলে ২ রান। ওভারের তৃতীয় বলে প্যাটেলকে ফেরান অ্যাবট। পরের বলে নন স্টাইক প্রান্তে রান আউট হয়ে যান রবি বিষ্ণোই।
দুই বলে দুই রান সমীকরণ দাঁড়ায় ভারতের সামনে। পঞ্চম বলে রিংকু সিং পুল শট করে মিড লেগ অঞ্চলে বল পাঠিয়ে দেন। প্রথম রানটি ঠিকঠাক নিলেও দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে যান। আর্শ্বদীপ সিং। শেষ বলে ভারতের সামনে কেবল এক রান। লং অনের উপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন রিংকু। ১৪ বলে ২২ রান করেন তিনি।
অজিদের হয়ে দুটি উইকেট নেন তানভীর সাঙ্গা। এছাড়া জেসন বেহরেনডর্ফ, শন অ্যাবট ও ম্যাথু শর্ট নেন একটি করে উইকেট।








