ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ৬০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। চতুর্থ ধাপে ৩৪.৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
গতকাল ৫ জুন বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করার পর ভোট গণনা শেষে রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
ভোটগ্রহণ বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। চতুর্থ ধাপে ৬০টি উপজেলায় একজন চেয়ারম্যান, তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান ও একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৫১, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৬৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২০৫ জনসহ মোট ৭২১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সবমিলিয়ে এই ধাপে মোট ভোটার সংখ্যা ২ কোটি ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৫ জন।
চতুর্থ ধাপে উপজেলা নির্বাচনে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও দিনাজপুরে চেয়ারম্যান হলেন যারা
সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জ জেলায় আজ তিনটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ ও মধ্যনগর উপজেলায় যথাক্রমে খায়রুল হুদা চপল, সাদাত মান্নান অভি ও মো. আব্দুর রাজ্জাক ভূঁইয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় আনারস প্রতীক নিয়ে ২৮ হাজার ৫০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন রেজাউল হক কাজল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রকিবুল হাসান শিবলী মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার হাজার ৯৮২ ভোট।
জেলার ভৈরব উপজেলায় কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৪৮ হাজার ২০০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন আবুল মনসুর। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৩২ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়েছেন।
এছাড়া জেলার কুলিয়ারচর উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী কোন প্রার্থী না থাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন লিটন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন







