ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে পটুয়াখালীতে শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা থেকে দমকা বাতাসের সাথে থেমে থেমে বৃষ্টি ছিল। রাত বাড়তেই তা আরও বেড়েছে। সাগর উত্তাল থাকায় জোয়ারের উচ্চতা বেড়ে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
এ অবস্থা সর্বত্র সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে জরুরি সভা করেছে জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি।
জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম জানান, জেলা ও উপজেলা সদরে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার দূর্গত মানুষ ও ৮ লাখ ৮৮ হাজার গবাদি প্রাণির জন্য ৭০৩টি আশ্রয় কেন্দ্র ও ৩৫টি মুজিব কেল্লা, ২৪ হাজার ৭৫০ টন চাল, ১ হাজার ৫০০ ব্যাগ শুকনো খাবার, শিশু ও গো-খাদ্যের জন্য ২০ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ৮ হাজর ৭০০ সিপিপি ছাড়াও রেড ক্রিসেন্ট, ফায়ার সার্ভিস, আনসার, কোস্ট গার্ড, প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যসহ আরও অন্তত ১০ হাজার মানুষ প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও ব্যবস্থাপনার কাজ করছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, জেলায় ১৩’শ কিলোমিটার বেরিবাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে ১৪ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ। জরুরি নদী ভাঙন রক্ষায় ১০ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত আছে।







