ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে নোয়াখালীর উপকূলীয় হাতিয়া, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিঝুমদ্বীপ, ঢালচর, ঘাসিয়ারচরসহ অনেক বিচ্ছিন্ন চর ও বেড়ি বাঁধের বাইরের এলাকার জোয়ারের পানি ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষেত থেকে এখনো নেমে যায়নি। অধিকাংশ এলাকা এখনো বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যতই সময় যাচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্পষ্ট হচ্ছে। ইউনিয়ন থেকে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের চেষ্টা চলছে।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আজও হাতিয়ায় বৃষ্টি হচ্ছে। সেসাথে আছে ঝড়ো বাতাস। এ পর্যন্ত হাতিয়ায় ১২০ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক এবং ৩৩ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুই হাজার গবাদি পশু জোয়ারের পানিতে ভেসে যায়। ৮ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়।
সুবর্ণচর উপজেলায় দুই হাজার ৫শ হেক্টর জমির আউশ, সয়াবিন, সবজি, তিলসহ বিভিন্ন রকম ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া ৫শ হেক্টর জমির ফসল এখনো পানির নীচে নিমজ্জিত।
এদিকে, কোম্পানীগঞ্জ উপলোর চর এলাহি ইউনিয়নে ২০ মিটার বেড়ি বাঁধ ছিড়ে যায়। জোয়ারের পানি বাঁধের ছিড়া অংশ দিয়ে ঢুকে বিস্তীর্ণ এলাকা দিনেরাতে দুইবার করে প্লাবিত করছে।








