জয়পুরহাটে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ ও জয়পুরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এবং জয়পুরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সামছুল আলম দুদুসহ ৩৫ জন নামীয় ও ১১০ থেকে ১২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কর্মসূচিতে গুলিবিদ্ধ ছাত্র মোরসালিন হোসেন।
মামলার বাদী মোরসালিন সদর উপজেলার হালহট্টি গ্রামের মৃত সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে।
মামলায় সাবেক হুইপ-এমপি ছাড়াও যারা আসামি হয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বেনু, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জয়পুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন কুমার সাহা, জয়পুরহাট মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, পুরানাপৈল ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোরশেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রাসেল দেওয়ান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক রেজা ও জেলা পরিষদের সদস্য আবু সাঈদ আল মাহবুব চন্দন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে গত ৪ আগস্ট জয়পুরহাট শহরের সার্কিট হাউস মাঠে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যোগ দেন মোরসালিন হোসেন (২০)। ওইদিন দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ও সামছুল আলম দুদুর নেতৃত্বে আসামি হামিম মোল্লার হাতে থাকা শটগান দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি ছোঁড়া হয়। সেসময় অন্য আসামিরা ককটেল, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করেন। এতে মোরসালিন গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় গুরুতর জখম হন ৯০ জন শিক্ষার্থী।
জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।








