তারকা সন্তানদের প্রায়শই ইন্ডাস্ট্রির সংযোগ এবং সহজে সুযোগ পাওয়ার সুবিধার জন্য সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়। বহিরাগতদের প্রাপ্য জায়গা দখল করার জন্য অনেকেই সমালোচিত হন।
তাদের অভিনয় প্রায়শই আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হয় এবং দর্শকরা প্রশ্ন তোলেন যে তারা তাদের সাফল্য অর্জন করেছেন কি না। তবে চলচ্চিত্র নির্মাতা ইমতিয়াজ আলী মনে করেন, ইন্ডাস্ট্রির ভাবমূর্তি সামলানোর ক্ষেত্রে নেপোকিডদের চেয়ে বহিরাগতদের পথচলা সহজ।
জুমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমতিয়াজ ‘ইনসাইডার বনাম আউটসাইডার’ বিতর্কে নিজের মতামত জানান এবং রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটকে ‘নেপো কিড’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া প্রসঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, আলিয়া, রণবীর এবং চলচ্চিত্র জগতের আরও অনেক অভিনেতা ও মানুষ, যারা এই ইন্ডাস্ট্রিতেই জন্মেছেন, তাদের একটি বাড়তি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, কারণ তাদের চারপাশেই সাফল্যের উদাহরণ রয়েছে। নিজেদের মনে সফল বলে দাবি করার জন্য তাদের নিজেদের বাবা, কাকা এবং মায়ের সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করতে হয়। আমার মতো যারা বাইরে থেকে আসে, তাদের জন্য ব্যাপারটা অনেক সহজ।’
চলচ্চিত্র নির্মাতা আরও বলেন, ‘রণবীর আজ চলচ্চিত্র জগতের একজন অভিনেতা, এতে কোন সন্দেহ নেই। আপনি ওকে নেপো কিড বলতে পারেন, কিন্তু আসলে সেই সন্দেহগুলো দূর হয়ে যায়, কারণ সে এতটাই অসাধারণ। আলিয়া ভাট এতটাই অসাধারণ যে, সে চরিত্রটি পেয়েছে বলে আপনার কোন আফসোস হবে না, আপনি চাইবেন সে আরও বেশি চরিত্রে অভিনয় করুক। ব্যাপারটা এমনই, কিন্তু এটা অর্জন করতে হয়। যারা চলচ্চিত্র জগতে জন্মায়, তাদের এটা আরও বেশি করে অর্জন করতে হয়।’
ইমতিয়াজ, আলিয়া এবং রণবীর একসঙ্গে বহুল প্রশংসিত ছবি উপহার দিয়েছেন। ইমতিয়াজের ‘হাইওয়ে’ ছবির মাধ্যমে আলিয়ার ক্যারিয়ারে একটি বড় পরিবর্তন আসে, অন্যদিকে রণবীর এবং ইমতিয়াজ ‘রকস্টার’ ও ‘তামাশা’-র মতো ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। যদিও মুক্তির সময় ছবি দুটি তেমন বাণিজ্যিক সাফল্য পায়নি, কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এগুলি কাল্ট।







