পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সম্ভাব্য মুক্তি নিয়ে ছড়ানো গুজবের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো এবং সরকারি সূত্রগুলো। এছাড়া পবিত্র ঈদুল আযহার আগে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মুক্তির সম্ভাবনা নেই বলেও জানানো হয়েছে।
রোববার (১ জুন) পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইমরান খানের সংগঠন পিটিআইও এমনটা আশা করে না।
অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরোর কর্মকর্তারা জানায়, বর্তমানে আদালতে এমন কোনো মামলা নেই, যা ইমরান খানের মুক্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে। তারা নিশ্চিত করছেন যে, এখন পর্যন্ত এমন কোনো নোটিশ পায়নি যা ঈদের আগে তার জামিন বা মুক্তির কারণ হতে পারে।
সরকারি সূত্রগুলোও গুজবগুলোকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে স্পষ্ট করেছে যে, ইমরান খানকে কোনো ধরনের সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়নি এবং তার মুক্তির জন্য কোনো গোপন ব্যবস্থা বা সমঝোতাও বিবেচনাধীন নেই।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘কোনও সমঝোতা নেই, কোন আলোচনা নেই এবং কোন প্রস্তাব টেবিলও নেই।’
ইমরান খানের আইনজীবী নাঈম হায়দার পাঞ্জোথা শনিবার (৩১ মে) রাওয়ালপিন্ডিতে সন্ত্রাসবিরোধী আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের জানান, ইমরান খানের তাৎক্ষণিক মুক্তির গুজব ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, কোনো সমঝোতা হচ্ছে না এবং কোনো ধরনের নমনীয়তা প্রদর্শন করা হচ্ছে না; এই সব গুজব ভিত্তিহীন।
এই ব্যাখ্যাগুলোর পরও কিছু পিটিআই নেতা এবং মিডিয়া বিশ্লেষক এখনো আশা রাখছেন যে, ইমরান খান ঈদের আগে জামিন পেতে পারেন। তাদের আশা ৫ জুন ইসলামাবাদ হাইকোর্টে অনুষ্ঠিতব্য শুনানির ওপর নির্ভর করছে, যেখানে ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবি তোশাখানা মামলায় তাদের সাজা স্থগিত করার জন্য আবেদন করেছেন।
তবে সূত্র জানিয়েছে, এখনো এই মামলায় কোনো নোটিশ জারি করা হয়নি। আইনি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই ধরনের আবেদনে সাধারণত প্রক্রিয়াগত কারণে বিলম্ব হয় এবং চূড়ান্ত স্বস্তি দেওয়ার আগে একাধিক শুনানি প্রয়োজন হয়।







