ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ইমো দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিরাপত্তা প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, তারা চালু করেছে উন্নত ‘এআই সেফটি ইঞ্জিন।’
এটি একটি মাল্টিলেয়ার স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা কাঠামো, যার প্রতিটি স্তর সমন্বিতভাবে স্ক্যাম অ্যাকাউন্ট শনাক্তকরণে ও বন্ধে কাজ করে; ফলে, ক্ষতিকর কনটেন্ট ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছানোর আগেই প্রতিরোধ হয়ে যায়।
ইমো’র এই ‘এআই সেফটি ইঞ্জিন’ মূলত ব্যবহারকারীর আচরণগত প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে থাকে। অত্যাধুনিক এআই ও মেশিন-লার্নিং মডেল দিয়ে অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে অ্যাপটি নিরাপদ কন্টেন্ট ও সম্ভাব্য স্ক্যামের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করে। হঠাৎ করে ব্যাপক সংখ্যায় মেসেজ পাঠানো, লিংক শেয়ার, অস্বাভাবিক ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বা মানবিক আচরণের সঙ্গে অসঙ্গত যেকোনো কার্যকলাপকে এই ইঞ্জিন সাথে সাথে চিহ্নিত করতে পারে।
কোন মেসেজে প্রবেশ না করেই ইমো শুধুমাত্র মেটাডেটা, কার্যক্রমের ধরন ও ডিভাইসসের সিগন্যাল বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে। অ্যাপটি নেটওয়ার্ক-লেভেল ও মেটাডেটা-লেভেলের ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পরিচিত স্ক্যাম প্যাটার্নের সঙ্গে মিল পাওয়া যেকোনো আচরণ তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করে। এরপর, প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাকাউন্টের মেসেজিং সক্ষমতা সীমিত করে দেয়া হয় কিংবা সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করা হয়।
পাশাপাশি, নতুন অ্যাকাউন্ট নিবন্ধনের সময় ইমো সেই ডিভাইস ও ফোন নম্বরের রেকর্ডও মূল্যায়ন করে। পূর্বে সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা নিষিদ্ধ ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত অ্যাকাউন্টগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ব্লক করা হয়। পাশাপাশি, ভুল রিপোর্টিং যেন সিস্টেমকে বিভ্রান্ত না করে, সে জন্য প্রতিটি রিপোর্টের বিশ্বাসযোগ্যতা স্কোরিং -এর মাধ্যমে যাচাইও করা হয়।
প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এই আপগ্রেড ইমো’র প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করেছে। ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং ঝুঁকিমুক্ত ডিজিটাল যোগাযোগের পরিবেশ তৈরিতে ইমো’র উন্নত ‘এআই সেফটি ইঞ্জিন’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।








