বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ডক্টর আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাজেট সহায়তার দরকার না হলে আইএমএফ’কে না বলে দিতাম।
মঙ্গলবার (০৪ মার্চ) রাজধানীতে একটি গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।
নিজেকে আইএমএফ এর প্রোডাক্ট উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, গত ৬ মাসে অর্থনীতি যেভাবে ঘুরে দাড়িয়েছে, বিশেষ করে রিজার্ভের পতন ঠেকানো, বিনিময় হারে এক ধরনের স্থিতিশীল অবস্থা, রপ্তানি এবং প্রবাসী আয়ে ভালো অবস্থা, আমদানিতে নিয়ন্ত্রণ, সব মিলে নেতিবাচক অবস্থা থেকে চলতি হিসাব এবং আর্থিক হিসাব ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। কেবল রাজস্ব আয়টা ঠিক রাখা গেলে মাত্র পৌনে ৫ বিলিয়ন ডলারের জন্য আইএমএফ এর কাছে ধর্না দিতে হত না।
চরম সংকটে থাকা ব্যাংকিং খাতটিকে টেনে তোলার দায়িত্বে কারো চাপে নতি স্বীকার করবেন না বলে জানিয়ে দেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর।
আহসান এইচ মনসুর জানান, আর্থিক অর্ন্তভুক্তির আওতা বাড়াতে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের অন্তত ৫০ শতাংশ নারীদের দ্বারা পরিচালিত হতে হবে, এ বিষয়ে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি হবে। যাতে আরও বেশি নারী এজেন্ট হিসেবে যুক্ত হতে পারেন। অপ্রয়োজনীয় বিধি-নিষেধ বাধ দিতে একটি রেগুলেটরি রিফর্ম টাস্কফোর্সের কথাও বলেন তিনি।
ব্যাংকিং খাত নিয়ে গভর্নর আরও বলেন, আমরা দ্রুত এগিয়ে যেতে চাই। আর্থিক খাতকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাই। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও শক্তিশালী করার কাজ চলছে। প্রধান উপদেষ্টা এ বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহী। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠন করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনর্গঠনে কাজ চলছে।







