পুনর্গঠন করা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার ২০২৩ জুরি বোর্ড থেকে সরে গেলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘সময়ের অভাবে এই জুরি কমিটিতে থাকতে পারবেন না’।
জুরি বোর্ড থেকে সরে যাওয়ার খবরটি চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সেদিন মিটিং হয়েছে। আমি গিয়েছিলাম এখানে থাকতে পারবো না জানাতে। তারা আমাকে বলেছিল, থাকেন। কিন্তু আমি পারছি না।
ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, শিল্পী সমিতির সভাপতি থাকাকালীন বিভিন্ন মিটিংয়ে থাকার কথা থাকলেও সময় সেভাবে দিতে পারিনি। আসলে এগুলো করার মতো সময় আমার কাছে নেই। জুরি বোর্ডে যে কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তি থাকতে পারেন। এখানে ইলিয়াস কাঞ্চনকে থাকতে হবে বলে আমি মনে করি না। আমাকে এও বলেছিল, পেন ড্রাইভে করে ছবি দেবে দেখার জন্য। ৫৮টির মতো ছবি দেখতে হবে। বলেছি, আমার সময় হবে না।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার জুরি বোর্ড গঠনের চলচ্চিত্রের জন্য কমিটি করা হবে জানানো হয়েছিল ইলিয়াস কাঞ্চনকে। তিনি বলেন, চলচ্চিত্রের জন্য বিশেষ কমিটি হবে জানানো হয়েছিল। সেখানে আমাকে রাখার কথা হবে বলেছিল। কী হবে সেটার পুর্ণাঙ্গ লিখিত চেয়েছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম আমাকে জুরি বোর্ডে রাখা হলো। পরে ফোন করে মিটিংয়ে ডাকা হয়। সেখানে গিয়ে আমি সরকারি কর্মকর্তাদের জানাই থাকতে পারবো না। কারণ ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ নিয়ে গত ৩২ বছর ধরে আমি কাজ করছি। এই কাজটি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এখানেই থাকবো।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২৩ প্রদানের উদ্দেশে ‘জুরি বোর্ড’ পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
সেখানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (চলচ্চিত্র) সভাপতি করে মোট সদস্য ১৩ জনের নাম প্রকাশ করা হয়ে। এতে সদস্যসচিব হিসেবে রাখা হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যানকে।
এছাড়া বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র অধিশাখার প্রধান করা হয়।
ইলিয়াস কাঞ্চন ছাড়াও জুরিবোর্ডের অন্য সদস্যদের তালিকায় ছিলেন নির্মাতা জাহিদুর রহিম অঞ্জন, সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ, চিত্রগ্রাহক বরকত হোসেন, অভিনেত্রী অপি করিম, সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগের সভাপতি এস এম ইমরান হোসেন ও সাংবাদিক ওয়াহিদ সুজন।







