টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের হাতে সহজ সমীকরণ ছিল। কিউইরা যদি ইংল্যান্ডকে হারাতে পারতো তাহলে তাদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যেতে। একই সাথে ঘরের পথ দেখতে হতো পাকিস্তানকে। সে ম্যাচ হেরে বসে মিচেল স্যান্টনারের দল, আর তাতেই আশার আলো জেগে উঠেছে সালমান আলী আঘাদের সামনে। তবে এখন পাকিস্তানকে শুধু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিতলেই হবে না, ব্যবধানও রাখতে হবে বড়। তাহলেই পাবে সেমির টিকিট পাকিস্তান।
শুক্রবার কিউইদের দেয়া ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেটে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এ হারেই ভাগ্য খুলে যায় পাকিস্তানের। শনিবার শ্রীলঙ্কার পাল্লেকেলে ক্রিকেট স্টেডিয়াম লঙ্কানদের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান।
এ ম্যাচে চোখ থাকবে নিউজিল্যান্ডেরও। কারণে ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ধারন করবে কোন দল পাচ্ছে সেমির টিকিট, পাকিস্তান নাকি নিউজিল্যান্ড।
কিউই এবং পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যাক্ত হয়েছিল। সেখান থেকে দুই দল একটি করে পয়েন্ট পেয়েছিল। শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ড অর্জন করে ২ পয়েন্ট। তিন ম্যাচ খেলে কিউইদের পয়েন্ট দাঁড়ায় ৩, টেবিলে অবস্থান দুইয়ে। অন্য দিকে পাকিস্তানের ২ ম্যাচ শেষে ১ পয়েন্ট নিয়ে আছে টেবিলের তৃতীয় স্থানে।
পাকিস্তানের নেট রানরেট -০.৪৬১ এবং নিউজিল্যান্ডের নেট রানরেটে +১.৩৯০। অর্থাৎ পাকিস্তান যদি শ্রীলঙ্কার সাথে জিতেও যায় তাও ৩ পয়েন্ট পেয়েও লাভ হবে না, যদি তারা কিউইদের রানরেট টপকাতে না পারে।
এ নেট রানরেট টপকাতে হলে পাকিস্তানের পূরণ করতে হবে একটু বড় সমীকরণ। যদি শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাটে নামে, তাহলে পাকিস্তানকে লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ১৩.১ ওভারে। আর যদি পাকিস্তান আগে ব্যাটে নামে তাহলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের ব্যবধান ন্যূনতম ৬৪ রানের হতে হবে।
পাকিস্তানের পয়েন্ট কিউইদের সাথে পয়েন্টের হিসেবে সমান ৩ হলেও নেট রানরেটে এগিয়ে যাবে এবং নিশ্চিত হবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। এ ব্যবধান যদি অতিক্রম করতে পাকিস্তান ব্যর্থ হয় তাহলে বাড়ির পথ ধরতে হবে সালমান আঘাদের। পাশাপাশি গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সেমিতে পা রাখবে নিউজিল্যান্ড।








