অস্ট্রেলিয়ায় আজ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের অষ্টম আসরের পর্দা উঠল। ১৬ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর চলবে ১৬ দলের লড়াই। ৭ ভেন্যুতে মোট ৪৫ ম্যাচ। তারপর মিলবে চ্যাম্পিয়নের দেখা।
প্রথম রাউন্ডের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও নামিবিয়া। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে সিডনিতে মূলপর্ব শুরু হবে ২২ অক্টোবর। হোবার্টে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৪ অক্টোবর, প্রতিপক্ষ প্রথম রাউন্ডের গ্রুপ ‘এ’র রানার্সআপ দল।
সুপার টুয়েলভে গ্রুপ-২তে পড়েছে বাংলাদেশ। সিডনি এবং অ্যাডিলেডে ৯ ও ১০ নভেম্বর হবে দুই সেমিফাইনাল। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ফাইনাল, ১৩ নভেম্বর কোনো দলের শিরোপা উঁচিয়ে ধরার মধ্য দিয়ে নামবে আসরের পর্দা।
আগেই সুপার টুয়েলভ পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে ৮ দল। বাকি ৮ দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে নামছে প্রথম রাউন্ডে। প্রতি গ্রুপের সেরা দুটি দল সুপার টুয়েলভে সরাসরি খেলা আট দলের সঙ্গে যুক্ত হবে।
প্রথম রাউন্ডে যে আট দল খেলবে তারা- শ্রীলঙ্কা, নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, স্কটল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে। র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় আগেই যে আট দল সুপার টুয়েলভে তারা- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, সাউথ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তান।
সুপার টুয়েলভে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ১২ দল। প্রতি গ্রুপে ৬ দল। উভয় গ্রুপের সেরা দুই দল সেমিফাইনালে যাবে। সেমিফাইনাল বিজয়ী দুদল ১৩ নভেম্বর মেলবোর্নে শিরোপার লড়াইয়ে নামবে।
যে সাত ভেন্যুতে খেলা হবে সেগুলো- মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড,অ্যাডিলেড ওভাল, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেনের গ্যাবা, গিলংয়ের কার্ডিনিয়া পার্ক, হোবার্টের বেলেরিভ ওভাল এবং পার্থ স্টেডিয়াম।
প্রথম রাউন্ড ও সুপার টুয়েলভের জয়ী দল পাবে ২ পয়েন্ট। পরিত্যক্ত বা টাই হলে ১ পয়েন্ট করে পাবে উভয় দল। শুধুমাত্র সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের জন্য রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। অন্য কোনো ম্যাচে রিজার্ভ ডে থাকছে না।
সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল ম্যাচ বৃষ্টি বা অন্য কারণে বিঘ্নিত হলে নির্ধারিত দিনেই ওভার কমিয়ে তা সম্পন্ন করার সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হবে। একটি ম্যাচের ফলাফলের জন্য অন্তত ৫ ওভার খেলা হতে হবে। সেটি সম্ভব না হলেই কেবল রিজার্ভ ডেতে খেলা গড়াবে। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে যে অবস্থায় খেলা থেমেছিল, ঠিক সেখান থেকেই রিজার্ভ ডেতে বল মাঠে গড়াবে। নতুন করে ম্যাচ শুরু হবে না।
বাংলাদেশের দর্শকরা জিটিভিতে খেলা দেখতে পাবে। এছাড়া অনলাইনে র্যাবিটহোল অ্যাপেও ম্যাচ দেখা যাবে। বিদেশি চ্যানেলগুলোর মধ্যে ভারতের স্টার নেটওয়ার্ক ও পাকিস্তানের পিটিভিতে বিশ্বকাপ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
আসরের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১৬ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৬ কোটি এক লাখ ৫০ হাজার টাকা। রানার্সআপ দল পাবে ৮ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ কোটি ৭৫ হাজার টাকার কাছাকাছি। ১৬ দলের টুর্নামেন্টে দুই সেমিফাইনালিস্ট ৪ লাখ ডলার করে পাবে।
সুপার টুয়েলভ পর্বে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য দলগুলো ৪০ হাজার ডলার পকেটে ঢোকাবে। সেমির আগে বাদ যাওয়া আট দল ৭০ হাজার ডলার নিয়ে ফিরবে। অর্থাৎ, কোনো ম্যাচ না জিতলেও অংশগ্রহণ করার জন্যই বাংলাদেশ ৭০ হাজার ডলার বা ৭০ লাখ টাকা পাবে।
প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয়া দল ৪০ হাজার ডলার পাবে। এ রাউন্ডে প্রতিটি ম্যাচের জয়ী দল পাবে ৪০ হাজার ডলার করে।










