‘আইসি ৮১৪: দ্য কান্দাহার হাইজ্যাক’ সিরিজটিকে ঘিরে চলছে বিতর্ক। ইতোমধ্যেই এই বিতর্ককে ঘিরে ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে নেটফ্লিক্সের কনটেন্ট হেডকে। সেই বৈঠকের পর এবার প্রকাশ্যে আনা হল আপডেট।
সূত্রের তরফে এএনআইকে জানানো হয়েছে, ‘কারো কোন অধিকার নেই এই দেশের মানুষের সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলার। ভারতের সংস্কৃতি এবং ভাবাবেগকে সম্মান করা উচিত। কোন জিনিসকে ভুল ভাবে তুলে ধরার আগে ভাবা উচিত। সরকার গোটা বিষয়টাকে খুবই সিরিয়াসলি নিয়েছে।’
এই বৈঠকের পর সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে কী জানিয়েছেন নেটফ্লিক্স কন্টেন্টের হেড সেটাও সূত্রের তরফে সাংবাদিকদের জানানো হয়। তিনি জানিয়েছেন, ‘নেটফ্লিক্সের তরফে জানানো হয় এবার থেকে তারা কন্টেন্ট রিভিউ করবে এবং নিশ্চিত করেছে যে ভবিষ্যতে তাদের প্ল্যাটফর্মে যত কন্টেন্ট আসবে সেগুলো যেন দেশের ভাবাবেগকে আঘাত না করে সেটা মনে রেখেই আনা হবে। সেনসিটিভলি দেখা হবে বিষয়টা।’
নেটফ্লিক্সে সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘আইসি ৮১৪: দ্য কান্দাহার হাইজ্যাক’। আর এই সিরিজ নিয়ে বিতর্ক চলছে। ১৯৯৯ সালে নেপালে কাঠমান্ডু থেকে আসা ভারতীয় বিমানকে হাইজ্যাক করেছিল সন্ত্রাসীরা। পরিবর্তে কিছু জঙ্গির নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে অনুভব সিনহার ওয়েব সিরিজটি।
বাস্তবে বিমান ছিনতাই-এর ঘটনায় পাঁচ ছিনতাইকারীর নাম ছিল ইব্রাহিম আতহার, শহীদ আখতার সাঈদ, সানি আহমেদ কাজী, জহুর মিস্ত্রি এবং শাকির, যারা পাকিস্তান ভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য ছিলেন। কিন্তু সিরিজে দুই ছিনতাইকারীর নাম রাখা হয়েছে ‘ভোলা’ ও ‘শঙ্কর’। একজন নিজেকে ‘বার্গার’ বলেও পরিচয় দেন। আর তা নিয়েই বিতর্কের ঝড় বইছে।
ফ্রি প্রেস জার্নালের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, পাঁচ ছিনতাইকারীই পাকিস্তানের একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্য ছিল। তাহলে কেন ‘আইসি ৮১৪: দ্য কান্দাহার হাইজ্যাক’ সিরিজে সন্ত্রাসবাদীদের নাম ‘ভোলা’ এবং ‘শঙ্কর’ রাখা হলো। এই পরিবর্তনই দর্শকরা ভালো ভাবে গ্রহণ করেননি।- হিন্দুস্থান টাইমস








