এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমি সরকারের কাছে জানতে চাই, কেন আমাকে বিদেশে যেতে দেওয়া হল না।
শুক্রবার ৩১ অক্টোবর সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, এই সরকার মহান চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সরকার। আমার দল বিএনপি শুরু থেকেই প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও তার নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা সন্মান রয়েছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, চিকিৎসার জন্য বিমানবন্দর থেকে বিদেশ যেতে না দেয়া, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের কথা মনে করিয়ে দেয়। যা ফ্যাসিস্ট সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে করেছিল।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ অপ্রত্যাশিত। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এই আচরণে আমি অসম্মানিত হয়েছি।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিএনপি নেতাদের কাউকে বিদেশ গমন করতে না দেয়া, অত্যাচারের একটি অন্যতম হাতিয়ার ছিল। গণভ্যুত্থান পরবর্তী এই সরকারের সময়েও চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাত্রায় বাধা প্রদান হয়রানিমূলক ও অপমানজনক।
তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই সরকার কোনো সংস্থা বা বিভাগ কারো ভুল তথ্যে বা ষড়যন্ত্রের বিভ্রান্ত হবেন না। আমিসহ দেশের সকল নাগরিকের সাংবিধানিক ও নাগরিক, মানবিক অধিকার রক্ষায় তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
চিকিৎসার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ব্যাংককে যাওয়ার কথা ছিল মিলনের। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইমিগ্রেশন থেকে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।








