প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বজন হারানোর ব্যথা নিয়ে এই দেশে ফিরে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, দেশের মানুষের জন্য কাজ করব। সেই লক্ষ্যেই আজ পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছি।
মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাংগা অংশের উদ্বোধন উপলক্ষে ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ফরিদপুর আওয়ামী লীগের আয়োজনে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী একথা বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালেই আমি পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলাম। পরে খালেদা জিয়া এসে সেটি বন্ধ করে দেয়। পরে আবার দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি বন্ধ হয়ে যায়। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম, শেখ মুজিবের মেয়ে কোন দুর্নীতি করে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ পাশে আছে বলেই এত বড় বড় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আমরা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। আজ দেশে গণতন্ত্র আছে, স্থিতিশীলতা আছে। সেইজন্য দেশব্যাপী উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। সেটি অব্যাহত থাকবে।
সরকার প্রধান বলেন, ফরিদপুর সব সময় অবহেলিত ছিল। আবার ক্ষমতায় আসতে পারলে ফরিদপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় করে দিবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে শুধু খুন, গুম, বোমা হামলা এগুলাই করেছে। আওয়ামী লীগ দেশের জন্যই কাজ করে। আমরা দেশকে আরও উন্নত করতে চাই।
এর আগে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সড়ক পথে গণভবন থেকে মাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মাওয়ায় পৌঁছান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা।
নতুন রেলপথ উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বাঁশি বাজিয়ে ও সবুজ পতাকা নাড়িয়ে রেল চলাচলের সংকেত দেন। তারপর টিকিট কেটে ট্রেনে চড়েন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীরা। দুপুর ১টার দিকে বিশেষ ট্রেনটি পদ্মা সেতু হয়ে ছুটতে শুরু করে ফরিদপুরের ভাঙ্গার উদ্দেশে। ট্রেনটি দুপুর ১টা ৫৯ মিনিটে ভাঙ্গায় পৌঁছায়।








