থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী স্থান থেকে একটি অনলাইন প্রতারক চক্রের স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে ২৭৩ জন বিদেশিকে উদ্ধার করেছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। বন্দী বিদেশিদের দিয়ে সাধারণত যেসব প্রতারণা করানো হতো, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পিগ বুচারিং’ নামে পরিচিত প্রেমের ফাঁদ, ক্রিপ্টো প্রতারণা, অর্থ পাচার এবং অবৈধ জুয়া।
আজ (১৮ ফেব্রুয়ারি) মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, চীনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অবৈধ অনলাইন অপারেশন বন্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে উভয় দেশের সীমান্তবর্তী শহরগুলো পরিদর্শনের সময় তাদের উদ্ধার করেন। ওই স্থানে অপরাধী চক্র দ্বারা পাচারকৃত লক্ষাধিক মানুষকে জোরপূর্বক স্ক্যাম কম্পাউন্ডে কাজ করানো হত।
বছরজুড়ে চলা এই স্ক্যাম সেন্টারগুলো সম্প্রতি নতুন করে তদন্তের মুখে পড়েছে। থাইল্যান্ডে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অপহৃত চীনা অভিনেতা ওয়াং জিংকে উদ্ধার ও চীনে ফিরিয়ে আনার পর এই তদন্ত তীব্রতা পায়। বিষয়টি নিয়ে চীন, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের কর্মকর্তারা এই সপ্তাহে মিয়াওয়াডিতে এক বৈঠকে মিলিত হন। চীনের সহকারী পাবলিক সিকিউরিটি মন্ত্রী লিউ ঝংই এই বৈঠকে অংশ নেন।
প্রতিনিধিরা মিয়াওয়াডিতে সমন্বয় বৈঠক করেছেন এবং তিন দেশের মধ্যে টেলিকম ফ্রড প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন। মিয়াওয়াডি থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী একটি শহর, যেখানে ওয়াং জিংকে উদ্ধার করা হয়েছিল।
জানুয়ারির শেষ থেকে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ মিয়াওয়াডি এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে স্ক্যাম কম্পাউন্ডে কাজ করা ১ হাজার ৩০৩ বিদেশিকে শনাক্ত করেছে, যার মধ্যে ২৭৩ জনকে সোমবার উদ্ধার করা হয়েছে।








