গ্রামীণফোনে সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির দেড় শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী।
আজ সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী গ্রামীণফোন কর্মচারীদের ব্যানারে এ কর্মসূচি করা হয়।
মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধসহ আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের অনুগত গ্রামীণফোনের চেইন অব কমান্ডে পরিবর্তন আনার দাবি জানান।
মানববন্ধনে রাসুলুল আমিন মুরাদ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় বাস্তবায়ন না করে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ যে ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছে, তা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ ও সরকারের প্রতি অসম্মানজনক ও ন্যক্কারজনক। ফ্যাসিস্ট কর্তৃপক্ষের বেআইনি ছাঁটাই, অবৈধ লকআউট ও অসৎ শ্রম আচরণসহ সব অবৈধ ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ছাঁটাইয়ের শিকার ২০২ জন কর্মীকে পুনর্বহালের ব্যবস্থা করতে হবে।
মানববন্ধনে অন্যান্য কর্মচারীরা জানান, ২০১২ সালের ২৫ মে শুধু ট্রেড ইউনিয়নে আবেদন করার অপরাধে ২১৩ জন কর্মীকে কোনো ধরনের আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ না দিয়ে সরাসরি চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। তাদের মধ্য থেকে ২০২ জন কর্মী এ অন্যায় ও বৈষম্যের প্রতি মাথানত না করে আপসহীন থেকে বিগত ১৩ বছর ধরে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিভিন্ন আদালতে আইনি যুদ্ধ চালিয়ে আসছেন। এটা আর তারা হতে দেবেন না।








