ঢাকায় নিম্নআয় ও সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক সুযোগ বাড়াতে ১৫০ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।
গত ১৮ ডিসেম্বর ওয়াশিংটনে সংস্থাটির সদর দপ্তরে এ অর্থায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, এই অর্থ মূলত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নারী এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী তরুণদের আয় ও জীবনমান উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। ‘রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অফ ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট’ (রাইজ) প্রকল্পের আওতায় নতুন এই সহায়তার ফলে আরও প্রায় ১ লাখ ৭৬ হাজার তরুণ উপকৃত হবেন। এতে প্রকল্পটির মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৪ লাখ ৯ হাজারে।
রাইজ প্রকল্পের আওতায় অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কার্যক্রম, উদ্যোক্তা উন্নয়ন সহায়তা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে ক্ষুদ্রঋণ সুবিধা পাবেন। নারীদের কর্মসংস্থান বাড়াতে মানসম্মত শিশু যত্ন কেন্দ্র (চাইল্ড কেয়ার) স্থাপনের জন্য স্টার্ট-আপ গ্র্যান্ট ও প্রশিক্ষণের মতো নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষম জীবিকা গড়ে তোলার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্পটির কার্যক্রম শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকাতেও সম্প্রসারণ করা হবে। এ জন্য চাকরির মেলা আয়োজন এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করা হবে।
বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও মানসম্মত কাজের অভাবে অনেকেই পিছিয়ে পড়ছেন। এই অতিরিক্ত অর্থায়ন নিম্নআয়ের পরিবারের তরুণ ও নারীদের বাজারমুখী দক্ষতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্পের সিনিয়র সোশ্যাল প্রটেকশন ইকোনমিস্ট আনিকা রহমান জানান, রাইজ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি প্রশিক্ষণার্থী সফলভাবে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পেরেছেন। নতুন এই অর্থায়নের ফলে বিশ্বব্যাংকের রাইজ প্রকল্পে মোট সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াল ৩৫০ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন ডলার।








