নানা নাটকীয়তার পর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) মোহামেডান জার্সিতে খেলতে নেমেছিলেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। মাঠে নেমে আবারও শাস্তি পেলেন ডানহাতি ব্যাটার। নিষিদ্ধ হয়েছেন চার ম্যাচ, গুণতে হবে জরিমানাও।
আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি তার নামের পাশে ১ ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। এতে ৮ ডিমেরিট থাকাতে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি। ডিপিএলের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে খেলতে পারবেন না।
শনিবার গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে আউট হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখান হৃদয়। এরপর তাকে শুনানিতে ডাকা হলেও আসেননি। পরে ম্যাচ রেফারি আখতার আহমেদ লেভেল-১ অপরাধের জন্য হৃদয়কে জরিমানা করেন, সঙ্গে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ হয় তার পাশে।
ম্যাচে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে আম্পায়ারের দেয়া আউটের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেন হৃদয়। লেগ স্পিনার ওয়াসি আহমেদের স্টাম্পের বাইরের পিচড-আপ বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে হৃদয়ের ব্যাটের কানায় লেগে কিপারের গ্লাভসে লেগে অন্য ফিল্ডারের হাতে চলে যায় বল। গাজী গ্রুপের ফিল্ডারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আউট দেন আম্পায়ার। এরপরই আম্পায়ারের দিকে অসন্তোষ প্রকাশ করেন হৃদয়।
অসাদাচরণের কারণে এ ম্যাচে নামার আগে আরও একবার শাস্তির মুখে পড়েছিলেন হৃদয়। পরে টুর্নামেন্টের বাইলজ পরিবর্তন করে নাটকীয়ভাবে তার শাস্তি কমানো হয়। এ নিয়ে জলও অনেকদূর গড়ায়। শাস্তি বাতিলের কারণে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন দেশসেরা আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।
এ নিয়ে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে একদফা বৈঠকও হয় ক্রিকেটারদের। সেখান থেকে হৃদয়ের শাস্তি বহালের সিদ্ধান্ত আসে। তবে ডিপিএলের আগামী মৌসুমে সেই শাস্তি কার্যকর হবে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে আবারও শাস্তি পেলেন হৃদয়।








