একসময় মিরপুরের উইকেট মানেই ছিল স্পিন সহায়ক। সেই ধারা থেকে সরে এসেছে বাংলাদেশ। সবশেষ কয়েকটি সিরিজে ছিল স্পোর্টিং উইকেট। তাতে ভালো করেছে টিম টাইগার্স। ব্যতিক্রম হচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও। পেস আক্রমণে আস্থা রেখে স্পোর্টিং উইকেটই থাকছে। খুব স্পিন নির্ভর নয়। যার প্রশংসায় অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ জানালেন, ভালো উইকেটে খেলে আত্মবিশ্বাস অর্জন দলের জন্য বড় উপকারী।
মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গড়াবে ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। আগেরদিন সংবাদ সম্মলনে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। উইকেট নিয়ে প্রশংসা করেন তিনি।
‘সবার মানসিকতা এরকম ছিল যে, মিরপুর মানেই মনে হয় ঘূর্ণি উইকেট। মিরপুর মানেই মনে হয় আমরা বাজে উইকেটে খেলছি, এরকম না। মিরপুরেও আমরা ভালো উইকেট করতে পারি। শেষ দুই-তিন সিরিজে দেখেছি। উইকেট অনেক ভালো আছে। চেষ্টা করবো ভালো উইকেটে খেলার জন্য। ভালো উইকেটে ম্যাচ জিততে পারলে, বোলাররা ভালো বোলিং করলে, ব্যাটাররা রান করতে পারলে, দিনশেষে আমাদের আত্মবিশ্বাস খুব গুরুত্বপূর্ণ। সামনে টুর্নামেন্ট আছে, সেটির আগে যদি আমরা ভালো উইকেটে খেলে আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে পারি, দলের জন্য অনেক উপকার হবে।’
এমন কন্ডিশনে অবধারিতভাবে তিন পেসার একাদশে থাকে। চার পেসার খেলানোর সম্ভাবনাও থাকছে। মিরপুরে বাংলাদেশের চার পেসার খেলানোর নজির আছে। ২০১৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ভারতের বিপক্ষে জেতা সিরিজে চার পেসার খেলায় মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দল। সেই কৌশলে হাঁটবে, নাকি তিন পেসার ও এক স্পেশালিষ্ট স্পিনারের কম্বিনেশনে একাদশ হবে, সেটি নিয়ে মিরাজ সরাসরি কিছুই জানাননি।
‘অবশ্যই, আমরা এই কন্ডিশনে খেলে অভ্যস্ত। জানি এই উইকেট সম্পর্কে এবং যদি সেরাটা দিতে পারি, বোলাররা যেভাবে বোলিং করছে শেষ দুই তিন সিরিজে, ব্যাটারও রান করছে, দুই কম্বিনেশন যদি ভালো থাকে, অবশ্যই ফল আনতে পারবো।’







