এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতি আমেরিকান পরিবারগুলোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছে আমেরিকান কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস। এই শুল্ক নীতির কারণে নিম্ন আয়ের পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, এই শুল্ক নীতির সাধারণ আমেরিকানরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্যাক্স ফাউন্ডেশন একটি বিশ্লেষণে জানায়, ট্রাম্পের শুল্ক নীতির কারণে ২০২৫ সালে গড়ে প্রতি আমেরিকান পরিবারকে অতিরিক্ত ৮৩০ ডলার শুল্ক দিতে হবে। এটি এমন এক পরিমাণ যা সামগ্রিকভাবে মার্কিন অর্থনীতির ওপর চাপ ফেলতে পারে এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও সমস্যা সৃষ্টির কারণ হতে পারে।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন দেশের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে এসেছেন।
তার নির্বাচনী প্রচারণায় এ বিষয়ে তিনি বহুবার কথা বলেছিলেন, ৩১ জানুয়ারি থেকে তিনি মেক্সিকো এবং কানাডার ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন। ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি চীনের আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর ১০% শুল্ক আরোপ করার পরিকল্পনা করেছেন।
রাষ্ট্রপতি তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় থেকেই বিভিন্ন দেশের উপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে আসছেন এবং বলেছেন যে 31 জানুয়ারী থেকে তিনি মেক্সিকো এবং কানাডা থেকে আমদানি করা পণ্যের উপর 25 শতাংশ এবং ফেব্রুয়ারি থেকে চীন থেকে আমদানির উপর 10% শুল্ক আরোপ করবেন।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘এটি এমন কিছু যা আমরা করছি এবং সম্ভবত এটি খুব বড়ভাবে বাড়ানো হবে, অথবা, আমরা দেখব কীভাবে হয়, তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রে অনেক অর্থ নিয়ে আসবে।’
এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি যদি চান, তবে ব্রিকস দেশগুলোর ওপর ১০০% শুল্ক আরোপ করতে পারেন। বিশেষ করে যদি তারা তাদের নিজস্ব মুদ্রা তৈরি করে এবং ডলারের বিকল্প হিসেবে তা ব্যবহারের চেষ্টা করে।
কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, শুল্কের কারণে ভোক্তা পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি হবে।







