সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পর্যটন স্পট থেকে লুট হওয়া সাদা পাথর স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় উদ্ধার করে ৭ দিনের মধ্যে একই স্থানে এনে রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।
আর এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন আগামী বৃহস্পতিবার আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। সেই সাথে বুয়েটের একজন অধ্যাপককে নিয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত এবং ওই কমিটিকে ভোলাগঞ্জ পর্যটন স্পটের পরিবেশগত কি ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণ করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। আর পাথর লুটের ঘটনার সাথে জড়িতদের নাম-ঠিকানা প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া দিন ও রাতে যাতে কেউ পাথর অপসারণ করতে না পারে সে জন্য আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্থানীয় প্রশাসনকে একটি মনিটরিং টিম গঠন করতে বলা হয়।
বিভিন্ন পত্রিকা প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে করা এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
এদিকে, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পর্যটন স্পষ্ট থেকে সাদা পাথর লুটের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গতকাল বুধবার করা আরেকটি রিট শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মীর একেএম নূরুন নবীর করা রিটটি শুনানির জন্য আজ উপস্থাপন করা হলে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার শুনানির দিন ধার্য করেন।
সম্প্রতি প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও প্রভাবশালীদের লাগামহীন লুটপাটে হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়, অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্থান সাদাপাথরসহ সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো।







