হাইকোর্ট বিভাগের একটি কোম্পানি বেঞ্চে সম্পূর্ণ কাগজমুক্ত (পেপার ফ্রি) বিচারিক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী রোববার থেকে এই কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের দেয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়ছে। যেখানে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের নিজস্ব তত্ত্বাবধান ও উদ্ভাবনে কোম্পানি বেঞ্চের যাবতীয় কাগজপত্র অনলাইনে জমা দেওয়ার প্ল্যাটফর্ম ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। চলতি বছর পর্যায়ক্রমে সুপ্রিম কোর্টের অন্য বেঞ্চগুলোতেও কাগজমুক্ত বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধান বিচারপতির। দীর্ঘ মেয়াদে দেশের নিম্ন আদালতগুলোতেও সম্পূর্ণ কাগজমুক্ত বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এবিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য ব্যরিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, পেপার ফ্রি বিচারিক কার্যক্রম শুরু একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। বিচার বিভাগকে যুগোপযোগী, জনগণের হয়রানি কমানোসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং বিচার বিভাগকে প্রভাবমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের রোডম্যাপ ঘোষণা একটি নজিরবিহীন উদ্যোগ। ওই রোডম্যাপের আলোকে ইতিমধ্যে বিভিন্ন অগ্রগতি আইনজীবী সমাজসহ জনগণের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঘোষিত রোডম্যাপের আলোকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। বিশেষ করে, ই-জুডিশিয়ারি বাস্তবায়নে প্রধান বিচারপতি বদ্ধপরিকর। দেশের উচ্চ আদালত ও জেলা আদালতগুলোর বিচারপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে ই-জুডিশিয়ারির আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।







